বঙ্গভবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা: গার্ড অব অনার শেষে রাষ্ট্রপতির আনুষ্ঠানিক গৃহপ্রবেশ
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণের পর বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতায় বঙ্গভবনে সপরিবারে প্রবেশ করেছেন নতুন রাষ্ট্রপ্রধান। সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। এই আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদের নতুন মেয়াদের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।
- বঙ্গভবনের ক্রিডেন্সিয়াল লনে তিন বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল নতুন রাষ্ট্রপতিকে রাষ্ট্রীয় সালাম ও গার্ড অব অনার প্রদান করে।
- শপথ গ্রহণের পর রাষ্ট্রপতির এই আনুষ্ঠানিক গৃহপ্রবেশের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক কার্যালয়ের প্রশাসনিক ও নীতিগত অভিভাবকত্ব কার্যকর হলো।
- বঙ্গভবনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে নতুন রাষ্ট্রপতি ও তাঁর পরিবারকে ঐতিহ্যবাহী আনুষ্ঠানিকতায় স্বাগত জানানো হয়।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
এক বর্ণাঢ্য ও মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেছেন নতুন রাষ্ট্রপ্রধান। বঙ্গভবনের ক্রিডেন্সিয়াল লনে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সেখানে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল নতুন রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান করে, যা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ধারাবাহিকতার এক অনন্য প্রতীক। এই আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ অভিভাবক হিসেবে তাঁর নতুন সাংবিধানিক মেয়াদের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটল।
বাংলাদেশের সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির পদটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। ঐতিহাসিক বঙ্গভবন কেবল রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনই নয়, বরং এটি দেশের বহু রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের সাক্ষী। নতুন রাষ্ট্রপতির এই দায়িত্ব গ্রহণ এমন এক সময়ে ঘটল যখন দেশ নানা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অতীতেও বিভিন্ন জাতীয় সংকটে এবং ক্রান্তিকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ও ভারসাম্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
এই আনুষ্ঠানিকতা সফল করতে বঙ্গভবন ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রেসিডেন্সিয়াল গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে। বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন রাষ্ট্রপতি ও তাঁর পরিবারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। একই সাথে বিদায়ী রাষ্ট্রপতির বিদায় সংবর্ধনা এবং নতুন রাষ্ট্রপতির আগমনকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবনের প্রশাসনিক কার্যক্রমে এক নতুন গতিশীলতা লক্ষ্য করা গেছে।
চোলতি নিউজের বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাষ্ট্রপতির পদটি মূলত আলংকারিক হলেও জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে এর গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে মসৃণ রাখা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনে রাষ্ট্রপতির নিরপেক্ষ ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। নতুন রাষ্ট্রপ্রধান তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে দেশের সংবিধান রক্ষা এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করবেন বলে দেশবাসী আশা করে। সর্বোচ্চ এই সাংবিধানিক কার্যালয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত।
“নতুন রাষ্ট্রপতির এই দায়িত্ব গ্রহণ দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা ও সাংবিধানিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। একটি নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী অভিভাবকত্ব নিশ্চিত করার মাধ্যমে তিনি জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হবেন বলে আশা করা যায়।”
এই বিভাগের আরও সংবাদ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য প্রত্যাহার করে নাগরিকত্ব নিয়ে স্পষ্ট জবাব দেওয়ার দাবি বিজেআইএমের
এইমাত্র
আবার যখন বর্ষা আসবে, তখন তারা জামাকাপড় পরে শুটিং করার জন্য পানিতে নামবে: সারজিস
এইমাত্র
সাত দলের ঐক্য গড়তে হেফাজতের উদ্যোগ, জামায়াত প্রশ্নে মতভেদ
এইমাত্রবাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।
