পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ নিয়ে ধোঁয়াশা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আইনি বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বেই সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন।
- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আইনি বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে।
- সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বেই সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন।
- মন্ত্রণালয় সূত্রে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা মেনে তিনি বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগের আনুষ্ঠানিক আবেদন ও দাপ্তরিক অনুমোদন সংগ্রহ করেছেন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আইনি বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বেই সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন।
মন্ত্রণালয় সূত্রে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা মেনে তিনি বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগের আনুষ্ঠানিক আবেদন ও দাপ্তরিক অনুমোদন সংগ্রহ করেছেন। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নাগরিকত্ব বিষয়ক স্বচ্ছতা বজায় রাখা গণতান্ত্রিক রীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সামগ্রিক প্রেক্ষাপট ও পূর্ববর্তী নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছিল।
দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মাঠপর্যায়ে গৃহীত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নে তদারকি টিম কাজ করছে। নাগরিক সুবিধা ও প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মের কোনো ব্যত্যয় যাতে না ঘটে, সে বিষয়েও সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
“দ্বিপাক্ষিক যেকোনো সম্পর্কে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌম অগ্রাধিকারকে শীর্ষে রাখা জরুরি। বাণিজ্যিক সমতা, সীমান্ত নিরাপত্তা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর অর্থনৈতিক কূটনীতি পরিচালনা করাই বর্তমান সময়ের দাবি।”
এই বিভাগের আরও সংবাদ
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।
