এনএসআইয়ের পরিচালক পদে পুলিশের দুই ডিআইজি, প্রেষণে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

বাংলাদেশ পুলিশের দুই উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শককে (ডিআইজি) প্রেষণে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (এনএসআই) পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলি ও পদায়নের আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদারে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়কে আরও সুদৃঢ় করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ পুলিশের দুই ডিআইজিকে প্রেষণে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (এনএসআই) পরিচালক পদে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ এই বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থায় পুলিশ কর্মকর্তাদের পদায়ন আন্তঃসংস্থা সমন্বয় ও তথ্য আদান-প্রদানকে আরও গতিশীল করবে।
- নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতাকে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণে কাজে লাগাবেন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে বাংলাদেশ পুলিশের দুই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরে (এনএসআই) প্রেষণে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-১ শাখার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পুলিশের এই দুই উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শককে (ডিআইজি) এনএসআইয়ের পরিচালক পদে পদায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা দেশের নিরাপত্তা প্রশাসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক রদবদল হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই নিয়োগের মাধ্যমে বেসামরিক গোয়েন্দা কার্যক্রমে পুলিশ ক্যাডারের অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা আরও বৃদ্ধি পেল।
সাধারণত বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) পুলিশ ক্যাডারের দক্ষ কর্মকর্তাদের গোয়েন্দা সংস্থায় প্রেষণে নিয়োগ দেওয়ার দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক ঐতিহ্য রয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হয় এবং দেশের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নিরাপত্তা রক্ষায় এটি প্রধান বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে কাজ করে। বিগত বছরগুলোতেও পুলিশের একাধিক ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে এনএসআই ও এনটিএমসির মতো সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের পদায়ন কেবল কর্মকর্তাদের পেশাগত অভিজ্ঞতাই বাড়ায় না, বরং অপরাধ দমন ও তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে গঠিত এই প্রশাসনিক আদেশের পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নতুন কর্মস্থলে যোগদানের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মাঠপর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে এই কর্মকর্তাদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এনএসআইয়ের কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে। তবে প্রশাসনিক বিশ্লেষকদের মতে, নিয়মিত পুলিশিং থেকে গোয়েন্দা কার্যক্রমে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ও অভিযোজন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। সরকার দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ধরনের কৌশলগত পদায়নকে নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থায় পুলিশ কর্মকর্তাদের এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের পদায়ন দ্বিমুখী প্রশাসনিক প্রভাব তৈরি করে। একদিকে এটি মাঠপর্যায়ের অপরাধ দমনের অভিজ্ঞতাকে গোয়েন্দা বিশ্লেষণে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করে, যা জাতীয় নিরাপত্তা জোরদারে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোতে পুলিশ ক্যাডারের অতিরিক্ত নির্ভরতা বেসামরিক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের নিজস্ব ক্যারিয়ার গঠনে ও পেশাদারিত্বের বিকাশে কিছুটা সীমাবদ্ধতা তৈরি করতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘমেয়াদে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন গোয়েন্দা কাঠামো গড়ে তুলতে হলে প্রেষণে নিয়োগের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার নিজস্ব কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও পদোন্নতির সুযোগ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
“পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থায় পদায়ন মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয় ঘটাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তবে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নিজস্ব প্রাতিষ্ঠানিক পেশাদারিত্ব ও কর্মকর্তাদের মনোবল বজায় রাখতে প্রেষণে নিয়োগের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ পদোন্নতির ভারসাম্য রক্ষা করা প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা কাঠামোর বিশেষায়িত সংস্কার ও আধুনিকায়ন অত্যন্ত জরুরি।”
এই বিভাগের আরও সংবাদ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য প্রত্যাহার করে নাগরিকত্ব নিয়ে স্পষ্ট জবাব দেওয়ার দাবি বিজেআইএমের
এইমাত্র
আবার যখন বর্ষা আসবে, তখন তারা জামাকাপড় পরে শুটিং করার জন্য পানিতে নামবে: সারজিস
এইমাত্র
সাত দলের ঐক্য গড়তে হেফাজতের উদ্যোগ, জামায়াত প্রশ্নে মতভেদ
এইমাত্রবাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।
