বগুড়ায় ঘরের ভেতর নকল সার ও কীটনাশক তৈরি, মালিকের জরিমানা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

বগুড়ার শেরপুরে একটি আবাসিক বাড়ির ভেতর গড়ে ওঠা অবৈধ নকল সার ও কীটনাশক তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে কারখানার মালিককে জরিমানা করার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ নকল সার ও রাসায়নিক জব্দ করা হয়।
- বগুড়ার শেরপুরে একটি বসতবাড়িতে গোপনে নকল সার ও কীটনাশক তৈরি করা হচ্ছিল।
- গোপন খবরের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ যৌথভাবে এই অভিযান চালায়।
- নকল সার তৈরির অপরাধে কারখানার মালিককে বড় অঙ্কের জরিমানা করা হয়েছে এবং কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় একটি আবাসিক বাড়ির ভেতর গোপনে গড়ে তোলা হয়েছিল নকল সার ও কীটনাশক তৈরির কারখানা। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে নামী-দামি ব্র্যান্ডের মোড়ক ব্যবহার করে ভেজাল কৃষি উপকরণ তৈরি ও বাজারজাত করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ।
অভিযান চলাকালে দেখা যায়, সাধারণ মাটি, ক্ষতিকর রঙ এবং বিভিন্ন সস্তা রাসায়নিক মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছিল এসব নকল সার ও কীটনাশক। পরে তা নামী কোম্পানির প্যাকেটে ভরে বাজারে সাধারণ কৃষকদের কাছে আসল বলে বিক্রি করা হতো। এতে একদিকে কৃষকেরা প্রতারিত হচ্ছিলেন, অন্যদিকে ফসলি জমির মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছিল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত এই ভ্রাম্যমাণ আদালত কারখানার মালিককে নগদ অর্থদণ্ড দেন। একই সাথে কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয় এবং সেখানে থাকা বিপুল পরিমাণ নকল মালামাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। কৃষি কর্মকর্তারা জানান, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে কৃষকদের চোখ ফাঁকি দিয়ে এই ব্যবসা চালাচ্ছিল।
স্থানীয় কৃষকেরা এই অভিযানে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তবে তারা ভেজাল সার ও কীটনাশক চক্রের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের অনুমোদিত ডিলার ছাড়া অন্য কোথাও থেকে সার বা কীটনাশক না কেনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
“কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে ভেজাল সার ও কীটনাশকের ব্যবহার ফসলের উৎপাদন ব্যাহত করার পাশাপাশি মাটির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করছে। ঘরের ভেতর এমন অবৈধ কারখানা গড়ে ওঠা প্রমাণ করে যে তদারকির অভাব রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত নজরদারি ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে কৃষকদের এই ক্ষতি থেকে বাঁচানো সম্ভব নয়।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



