হাসপাতালে ভুল করে অন্য মায়ের কোলে দেওয়া হলো নবজাতক
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ঢাকার একটি সরকারি হাসপাতালে নার্সদের ভুলের কারণে এক নবজাতককে অন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ঘটনা ঘটেছে। পরে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে শিশুটিকে তার আসল মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
- ঢাকার একটি সরকারি হাসপাতালে দুই নবজাতকের পরিচয়পত্র গুলিয়ে ফেলেন কর্তব্যরত নার্সরা।
- ভুল করে এক মায়ের সন্তানকে অন্য পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
- পরবর্তীতে নথিপত্র যাচাই করে সঠিক মা-বাবার কাছে শিশুকে ফিরিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ঢাকার একটি সরকারি হাসপাতালে নার্সদের অসাবধানতায় এক নবজাতককে অন্য পরিবারের কাছে দিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সন্তান প্রসবের পর এক মায়ের কোলে অন্য এক দম্পতির নবজাতককে তুলে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে চরম উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপে আসল মা-বাবার কাছে সন্তানকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
জানা গেছে, গত বুধবার রাতে হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডে প্রায় একই সময়ে দুই নারীর সন্তান জন্ম হয়। কর্তব্যরত নার্সরা তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে দুই শিশুর পরিচয়পত্র ও বিছানার নম্বর গুলিয়ে ফেলেন। এর ফলে এক পরিবারের নবজাতককে অন্য পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় এক পরিবার শিশুর গায়ের ট্যাগ দেখে বুঝতে পারে যে এটি তাদের সন্তান নয়।
এই ঘটনা জানাজানি হলে ভুক্তভোগী পরিবার ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং হাসপাতালের নার্সদের দায়িত্বহীনতাকে দায়ী করে। খবর পেয়ে হাসপাতালের পরিচালক ও জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকেরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা দুই পরিবারের সাথে কথা বলে এবং নথিপত্র যাচাই করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সঠিক মায়ের কোলে তার সন্তানকে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তারা জানিয়েছে, দায়িত্বে অবহেলাকারী নার্সদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভবিষ্যতে যাতে এমন স্পর্শকাতর ভুল আর না হয়, সেজন্য হাসপাতালের নিরাপত্তা ও শিশু শনাক্তকরণ ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।
“হাসপাতালে নবজাতক অদলবদল বা ভুল পরিবারে হস্তান্তরের ঘটনা অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং এটি মা-বাবার জন্য চরম মানসিক যন্ত্রণার কারণ হতে পারে। এই ঘটনাটি আমাদের স্বাস্থ্যসেবা খাতের অবহেলা ও অব্যবস্থাপনাকে পুনরায় সামনে এনেছে। ভবিষ্যতে এমন মারাত্মক ভুল এড়াতে হাসপাতালগুলোতে ডিজিটাল ট্র্যাকিং ও কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।


