সিরিয়াকে সন্ত্রাসী দেশের তালিকা থেকে বাদ দিল যুক্তরাষ্ট্র
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

সিরিয়াকে সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক দেশের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির নতুন পরিস্থিতি বিবেচনা করে ওয়াশিংটন এই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
- দীর্ঘ কয়েক দশক পর সিরিয়াকে সন্ত্রাসী দেশের তালিকা থেকে বাদ দিল যুক্তরাষ্ট্র।
- সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
- এর ফলে সিরিয়ার ওপর থেকে মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাগুলো উঠে যেতে পারে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
সিরিয়াকে সন্ত্রাসের মদদদাতা দেশের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দীর্ঘ চার দশক পর ওয়াশিংটন এই বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল। সম্প্রতি সিরিয়ায় দীর্ঘদিনের শাসক বাশার আল-আসাদের সরকারের পতন ঘটে। এরপরই দেশটির নতুন পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই পদক্ষেপ নিল মার্কিন প্রশাসন।
১৯৭৯ সালে সিরিয়াকে প্রথমবার এই কালো তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। বাশার আল-আসাদের শাসনামলে দেশটির ওপর নানা ধরনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। তবে সম্প্রতি আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ার নিয়ন্ত্রণ নেয় নতুন গোষ্ঠী। এরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সিরিয়াকে এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, সিরিয়ায় এখন আর আগের সেই সরকার নেই যারা সন্ত্রাসবাদে মদদ দিত। নতুন পরিস্থিতিতে দেশটির সাধারণ মানুষের সাহায্য এবং পুনর্গঠনের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি ছিল। এর ফলে সিরিয়ার সাথে অন্যান্য দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাহায্য পাঠানোর পথ আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট করেছে যে, সিরিয়ার নতুন শাসকদের কর্মকাণ্ড তারা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। দেশটিতে যাতে নতুন করে কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেদিকে নজর রাখা হবে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সিরিয়ায় একটি নতুন ও শান্তিপূর্ণ যুগের সূচনা হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
“সিরিয়াকে কালো তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তটি মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তন। আসাদ সরকারের পতনের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ সিরিয়ার নতুন শাসকদের জন্য একটি বড় সুযোগ। তবে দেশটিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং নতুন কোনো উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর উত্থান ঠেকানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



