খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা: ৫ দিনের রিমান্ডে হাতকাটা কাশেম
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

২০১৭ সালে ফেনীতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাশেম ওরফে হাতকাটা কাশেমকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেয়।
- আওয়ামী লীগ নেতা হাতকাটা কাশেমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
- ২০১৭ সালে ফেনীতে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
- পুলিশ মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ঘটনার পেছনের মূল ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছিল।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাশেম ওরফে হাতকাটা কাশেমকে ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই আদেশ দেয়। পুলিশ তাকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিল। আদালত শুনানি শেষে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাওয়ার পথে ফেনীর মোহাম্মদ আলী বাজার এলাকায় খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়। এই হামলায় বিএনপি নেত্রী ও সাংবাদিকদের বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সম্প্রতি এই ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় হাতকাটা কাশেমসহ আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, এই হামলার পেছনে কারা জড়িত ছিল এবং কার নির্দেশে হামলা চালানো হয়েছিল, তা জানার জন্য আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিলের আবেদন করে জামিন চেয়েছিলেন। তবে আদালত অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করে জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আদেশ দেয়।
পুলিশ জানিয়েছে, রিমান্ডে নিয়ে হাতকাটা কাশেমকে এই হামলার পরিকল্পনা ও অস্ত্র সরবরাহকারীদের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এই মামলার অন্য আসামিদের ধরতেও অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও বিএনপি নেতাকর্মীরা এই হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
“রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অতীতে অনেক অপরাধের বিচার থমকে ছিল। খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনাটি তার একটি বড় উদাহরণ। দীর্ঘ সাত বছর পর এই মামলার তদন্ত শুরু হওয়া এবং আসামিদের আইনের আওতায় আনা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে তদন্ত যেন কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত না হয়ে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও তথ্যপ্রমাণভিত্তিক হয়, তা নিশ্চিত করা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



