মহানবীর দেখানো পথে শান্তিময় দেশ গড়ার ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করে একটি শান্তিপূর্ণ, বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
- মহানবীর দেখানো শান্তি, দয়া ও সম্প্রীতির পথ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
- সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক মেলবন্ধন জরুরি।
- হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে দেশের উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দেখানো শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবতার পথ অনুসরণ করে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, মহানবীর জীবন আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় আদর্শ। তাঁর দেখানো পথ চললে সমাজে কোনো অশান্তি বা বিশৃঙ্খলা থাকতে পারে না। দেশের প্রতিটি নাগরিককে এই আদর্শ নিজের জীবনে কাজে লাগানোর অনুরোধ জানান তিনি।
এক বিশেষ বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, মহানবী (সা.) সারা জীবন মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার ও শান্তির জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি মদিনা সনদের মাধ্যমে সব ধর্মের মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করেছিলেন। বর্তমান সময়েও সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হলে তাঁর সেই ঐতিহাসিক শিক্ষা ও আদর্শ মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ সব সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে পরিচিত। এখানে সব ধর্মের মানুষ যুগ যুগ ধরে একসঙ্গে শান্তিতে বসবাস করে আসছে। কোনো ধরনের উসকানি বা অপপ্রচার যেন এই সম্প্রীতি নষ্ট করতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে মহানবীর মানবিক গুণগুলো নিজেদের জীবনে চর্চা করার আহ্বান জানান তিনি।
পরিশেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও শান্তিময় দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে। হিংসা-বিদ্বেষ ও ভেদাভেদ ভুলে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করাই হোক সবার মূল লক্ষ্য। মহানবীর আদর্শকে ধারণ করে দেশ আরও এগিয়ে যাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
“প্রধানমন্ত্রীর এই আহ্বান দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মহানবীর আদর্শকে সামনে রেখে সমাজে শান্তি ও সহনশীলতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া বর্তমান সময়ে খুবই প্রাসঙ্গিক।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।


