বাজারে জিনিসপত্রের দাম চড়া, অর্থনীতিতে চাপ কাটেনি এখনো
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

দেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ায় কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেলেও সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কমেনি। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চড়া দাম ও মূল্যস্ফীতির কারণে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো হিমশিম খাচ্ছে।
- প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে কিছুটা স্বস্তি এসেছে।
- বাজারে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।
- মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেওয়া পদক্ষেপের সুফল পেতে আরও সময় লাগবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশের অর্থনীতিতে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয়ের গতি ভালো হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কিছুটা কমেছে। তবে এই স্বস্তির খবর সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কোনো বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি। বাজারে জিনিসপত্রের দাম এখনো অনেক বেশি থাকায় সাধারণ মানুষের পকেট খালি হচ্ছে দ্রুত।
গত কয়েক মাস ধরে দেশের বাজারে চাল, ডাল, তেল ও পেঁয়াজসহ প্রায় সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম চড়া। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে সুদের হার বাড়ানোসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও মূল্যস্ফীতি বা জিনিসপত্রের দাম কমানো সম্ভব হয়নি। ডলারের দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও আমদানির খরচ এখনো বেশি, যার প্রভাব সরাসরি পড়ছে সাধারণ ভোক্তার ওপর।
অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, শুধু ব্যাংকের নীতি পরিবর্তন করে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এর জন্য দরকার বাজার তদারকি জোরদার করা এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, আয়ের তুলনায় খরচ দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় তারা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন।
সামনের দিনগুলোতে অর্থনীতিকে পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে হলে উৎপাদন বাড়ানোর দিকে নজর দিতে হবে। একই সাথে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা জরুরি, যাতে কলকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত না হয়। সরকার যদি বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে, তবেই সাধারণ মানুষ এই অর্থনৈতিক চাপ থেকে মুক্তি পাবে।
“দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে কিছু ইতিবাচক সূচক দেখা গেলেও সাধারণ মানুষের বাস্তব জীবনে তার কোনো প্রতিফলন নেই। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বাজার তদারকিতে সরকারের আরও কার্যকর ভূমিকা নেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায়, সামষ্টিক অর্থনীতির এই স্থিতিশীলতা টেকসই হবে না।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



