সামরিক শক্তি বাড়াতে নতুন চুক্তি করল সৌদি আরব ও ফ্রান্স
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

সৌদি আরব ও ফ্রান্সের মধ্যে সামরিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে একটি নতুন চুক্তি সই হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি বিনিময়ের সুযোগ পাবে।
- সৌদি আরব ও ফ্রান্সের মধ্যে নতুন সামরিক চুক্তি সই হয়েছে।
- এই চুক্তির ফলে দুই দেশের সেনাবাহিনী একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাবে।
- আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ বিনিময়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
নিজেদের সামরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে একজোট হয়েছে সৌদি আরব ও ফ্রান্স। দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে সম্প্রতি একটি নতুন চুক্তি সই হয়েছে। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে কাজের পরিধি বাড়ানো এবং একে অপরকে সহযোগিতা করা।
বেশ কিছুদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও নিজেদের সামরিক শক্তি বাড়াতে আলোচনা করছিল রিয়াদ ও প্যারিস। এরই ধারাবাহিকতায় দুই দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই চুক্তি সই হয়। চুক্তির আওতায় দুই দেশ যৌথ সামরিক মহড়া ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে একসঙ্গে কাজ করবে।
এই চুক্তি নিয়ে দুই দেশের সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই চুক্তি কেবল দুই দেশের সম্পর্কই মজবুত করবে না, বরং এই অঞ্চলের নিরাপত্তা রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে সামরিক সরঞ্জাম কেনাবেচা ও কারিগরি সহায়তার ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ফ্রান্সের প্রভাব যেমন বাড়বে, তেমনি সৌদি আরবও তাদের সামরিক বাহিনীকে আরও আধুনিক করার সুযোগ পাবে। আগামী দিনে দুই দেশের এই যৌথ উদ্যোগ বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
“এই চুক্তিটি মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে। সৌদি আরব তার সামরিক খাতকে আধুনিকীকরণ করতে পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক জোরদার করছে, যা ফ্রান্সের জন্য একটি বড় অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সুযোগ তৈরি করেছে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



