ইরানকে আটকাতে যেসব দেশের ওপর নজর দিচ্ছে আমেরিকা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ইরানকে বিশ্ব থেকে আলাদা করতে তার প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদারদের ওপর চাপ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কের মতো দেশগুলোর সাথে ইরানের ব্যবসা বন্ধ করাই এখন ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য।
- ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করতে তার বড় বাণিজ্যিক বন্ধুদের টার্গেট করছে আমেরিকা।
- ইরানের তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন, তাই চীনের ওপর চাপ সৃষ্টি করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
- সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কের মাধ্যমেও ইরানের অনেক ব্যবসা চলে, যা বন্ধ করতে চায় ওয়াশিংটন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ইরানকে বিশ্ব বাজারে একঘরে করতে নতুন কৌশল নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসন মনে করছে, সরাসরি ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে লাভ হচ্ছে না। তাই এবার ইরানের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার দেশগুলোকে টার্গেট করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ইরানের আয়ের পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে চায় ওয়াশিংটন।
এই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে চীন। বর্তমানে ইরানের উৎপাদিত তেলের সিংহভাগ কিনে নেয় চীন। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কের মতো দেশগুলো ইরানের সাথে ব্যাংকিং ও আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সচল রেখেছে। মার্কিন নীতিনির্ধারকদের মতে, এই দেশগুলোর সহযোগিতা ছাড়া ইরানকে পুরোপুরি কোণঠাসা করা সম্ভব নয়।
তবে এই দেশগুলোকে ইরানের সাথে ব্যবসা বন্ধ করতে রাজি করানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেশ কঠিন। চীন ও তুরস্কের মতো দেশগুলো নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়। তারা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই ইরানের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখছে। অন্যদিকে, আরব আমিরাতও তাদের বাণিজ্যিক হাব হিসেবে ইরানের সাথে লেনদেন বন্ধ করতে আগ্রহী নয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি এই দেশগুলোর ওপর জোর করে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেয়, তবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন সমস্যা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে চীনের সাথে আমেরিকার সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে। আগামী দিনগুলোতে ওয়াশিংটন কীভাবে এই দেশগুলোর সাথে আলোচনা করে, তার ওপরই নির্ভর করছে এই পরিকল্পনার সফলতা।
“আমেরিকার এই নতুন কৌশল দেখায় যে এককভাবে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ইরানকে দমানো যাচ্ছে না। তবে চীন বা তুরস্কের মতো বড় শক্তির ওপর চাপ দিতে গেলে আমেরিকার নিজের অর্থনীতি ও কূটনীতিতেও বড় ধাক্কা লাগতে পারে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



