মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার গুজব ছড়ানো সেই মেয়েটি বেঁচে আছেন
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ভিডিও শেয়ার করে এক তরুণীর মৃত্যুর গুজব ছড়ানো হয়। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই তরুণী বেঁচে আছেন এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার পরিবার গুজব না ছড়ানোর জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তরুণীর মৃত্যুর খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও গুজব।
- মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার পর আহত হলেও তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং আশঙ্কামুক্ত।
- পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি একটি সড়ক দুর্ঘটনার ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দাবি করা হয়, মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে এক তরুণী মারা গেছেন। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। ওই তরুণী মারা যাননি, বরং তিনি গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
ঘটনাটি ঘটে গত কয়েকদিন আগে ঢাকার একটি ব্যস্ত সড়কে। দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেলের পেছন থেকে পড়ে গিয়ে ওই তরুণী আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু ঘটনার পরপরই কিছু ফেসবুক পেজ ও আইডি থেকে তার মৃত্যুর ভুয়া খবর ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
এই গুজবের কারণে চরম বিপাকে পড়েছে তরুণীর পরিবার। তার স্বজনেরা জানিয়েছেন, হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর তিনি এখন আগের চেয়ে ভালো আছেন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন তার অবস্থা এখন আশঙ্কামুক্ত। পরিবারের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ধরনের মিথ্যা খবর না ছড়াতে এবং সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
পুলিশ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগ গ্রামে যাচাই না করে যেকোনো খবর শেয়ার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এই ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে গুজব ছড়ালে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। তাই যেকোনো খবর বিশ্বাস করার আগে তার সত্যতা নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
“সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার ও যাচাই না করে তথ্য শেয়ার করার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। একটি সংবেদনশীল দুর্ঘটনার পর যেখানে পরিবারের পাশে দাঁড়ানো উচিত, সেখানে ভুয়া মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে তাদের মানসিক কষ্ট আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের গুজব প্রতিরোধে আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি সাধারণ ব্যবহারকারীদের সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



