পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে যাত্রাবাড়ী থানা থেকে আসামি উধাও
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা থেকে রিমান্ডে থাকা এক আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।
- যাত্রাবাড়ী থানায় রিমান্ডে থাকা এক আসামি পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে গেছে।
- এই ঘটনার পর থানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।
- দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা থেকে রিমান্ডে থাকা এক আসামি পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশের হেফাজত থেকে এভাবে আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। থানা ভবনের ভেতর কঠোর নিরাপত্তা থাকার পরও কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই আসামিকে একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন করে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। থানায় এনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়ই কোনো এক ফাঁকে সে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই পুরো থানা এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়, কিন্তু শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনার পর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা থানা পরিদর্শন করেছেন। দায়িত্বে অবহেলার কারণে ডিউটি অফিসার ও সেন্ট্রিদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। police কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আসামিকে পুনরায় গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে এবং আশেপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে।
থানা থেকে আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম নয়, এর আগেও দেশের বিভিন্ন থানায় এমন ঘটনা ঘটেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, থানার ভেতরে আসামিদের রাখার ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের শাস্তি দেওয়া না হলে পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যেতে পারে।
“থানা থেকে আসামি পালিয়ে যাওয়া সরাসরি পুলিশের দায়িত্বহীনতা ও নিরাপত্তার দুর্বলতাকে প্রকাশ করে। রিমান্ডে থাকা একজন আসামি কীভাবে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে চলে গেল, তা খতিয়ে দেখা দরকার। এই ধরনের ঘটনা এড়াতে থানাগুলোতে সিসিটিভি নজরদারি বাড়ানো এবং সেন্ট্রিদের ডিউটি আরও জোরদার করা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



