খাদ্যগুদামে অনিয়ম করলে কেউ পার পাবে না: খাদ্যমন্ত্রী
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

দেশের সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকারি চাল ও গম নিয়ে কোনো কারসাজি সহ্য করা হবে না এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- সরকারি খাদ্যগুদামে যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী।
- গুদামে খাদ্যশস্যের মজুদ ও বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- অনিয়মের সাথে জড়িত কর্মকর্তা বা ডিলারদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করা হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, মানুষের খাবারের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বা কারসাজি সহ্য করা হবে না। দেশের সব সরকারি গুদামে খাদ্যশস্যের মজুদ ঠিক রাখতে এবং বিতরণে স্বচ্ছতা আনতে এই কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরকারি গুদাম থেকে চাল ও গম চুরির অভিযোগ ওঠার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ওজনে কম দেওয়া, নিম্নমানের চাল রাখা এবং ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে খাদ্যশস্য পাচারের মতো ঘটনা রুখতে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, এখন থেকে প্রতিটি গুদামে নিয়মিত ঝটিকা অভিযান চালানো হবে।
এই বিষয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে এক বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় কেনা খাদ্যশস্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। যদি কোনো কর্মকর্তা বা ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার পাশাপাশি ফৌজদারি আইনেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারি গুদামগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই গুদামগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং ডিজিটাল ওজন মাপার যন্ত্র বসানোর কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে অনিয়ম অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
“খাদ্যমন্ত্রীর এই হুঁশিয়ারি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে কেবল মুখের কথায় নয়, মাঠ পর্যায়ে এর বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি। গুদামগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া গেলেই কেবল এই দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব হবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



