সি-ট্রাক ও ট্রলার চললেও বন্ধ ফেরি, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। তবে ফেরি বন্ধ থাকলেও ঝুঁকিপূর্ণ সি-ট্রাক ও ট্রলার চলাচল সচল রয়েছে, যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
- ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে হঠাৎ ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় শত শত যাত্রী ও যানবাহন আটকা পড়েছে।
- ফেরি বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে অনেকে বেশি ভাড়া দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ট্রলার ও সি-ট্রাকে নদী পার হচ্ছেন।
- ঘাট কর্তৃপক্ষের দাবি, নাব্যতাসংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সাময়িকভাবে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ভোলা ও লক্ষ্মীপুর নৌপথে হঠাৎ করে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে ঘাটের দুই পাড়ে শত শত যাত্রী ও পণ্যবাহী গাড়ি আটকা পড়েছে। তবে ফেরি বন্ধ থাকলেও নদীতে ঝুঁকিপূর্ণ সি-ট্রাক ও ইঞ্জিনচালিত ট্রলারগুলো ঠিকই চলাচল করছে। নিরাপদ বাহন বন্ধ রেখে ঝুঁকিপূর্ণ ট্রলার চালু রাখায় ক্ষোভ জানিয়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত কয়েকদিন ধরে এই রুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। ঘাট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নদীর কিছু জায়গায় পানি কমে যাওয়ায় ফেরি চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু যাত্রীদের অভিযোগ, ফেরি বন্ধ রেখে ট্রলার ও সি-ট্রাক মালিকদের বাড়তি সুবিধা করে দেওয়া হচ্ছে। কারণ যাত্রীরা এখন বাধ্য হয়ে বেশি ভাড়ায় ট্রলারে নদী পার হচ্ছেন।
ঘাটে আটকে থাকা কয়েকজন যাত্রী জানান, জরুরি কাজে তাদের ঢাকা বা চট্টগ্রামে যেতে হবে। ফেরি বন্ধ থাকায় তারা ঘাটে এসে বিপদে পড়েছেন। ট্রলারে নদী পার হওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের জন্য। এর ওপর ট্রলারচালকেরা স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই বিষয়ে ঘাট কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানান, নদীর নাব্যতাসংকট দূর করতে ড্রেজিংয়ের কাজ চলছে। খুব দ্রুতই আবার ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ ট্রলার চলাচল বন্ধের বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
“নৌপথে ফেরি বন্ধ রেখে ঝুঁকিপূর্ণ ট্রলার ও সি-ট্রাক চালু রাখা সাধারণ মানুষের জীবনকে বিপদে ফেলার শামিল। নাব্যতাসংকট যদি আসল কারণ হয়ে থাকে, তবে ছোট ট্রলারগুলো কীভাবে অবাধে চলছে, সেই প্রশ্ন এড়ানো যায় না। যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ফেরি চালু করা এবং অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার বন্ধ করা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



