Read in English
পাঠক সুবিধা:
বিনোদনঢাকা

‘টাইটানিক’ সিনেমার ভাগ্য বদলে দিয়েছিল যে গানটি

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
‘টাইটানিক’ সিনেমার ভাগ্য বদলে দিয়েছিল যে গানটি
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

অস্কারজয়ী ‘টাইটানিক’ সিনেমায় সেলিন ডিয়নের গাওয়া ‘মাই হার্ট উইল গো অন’ গানটি যুক্ত করার পেছনের অজানা গল্প এবং কীভাবে এটি সিনেমার ভাগ্য বদলে দিয়েছিল।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • পরিচালক জেমস ক্যামেরন প্রথমে টাইটানিক সিনেমায় কোনো গান রাখতে চাননি।
  • সুরকার জেমস হর্নার গোপনে সেলিন ডিয়নকে দিয়ে গানটির ডেমো রেকর্ড করান।
  • গানটি মুক্তির পর বিশ্বজুড়ে তুমুল সাড়া ফেলে এবং অস্কার জয় করে।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

হলিউডের ইতিহাসে অন্যতম সেরা সিনেমা ‘টাইটানিক’। ১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমাটি বিশ্বজুড়ে মানুষের মন জয় করে নিয়েছিল। তবে এই সিনেমার জনপ্রিয়তার পেছনে একটি গানের বড় ভূমিকা ছিল। সেটি হলো সেলিন ডিয়নের গাওয়া ‘মাই হার্ট উইল গো অন’। অথচ অবাক করার মতো বিষয় হলো, এই গানটি প্রথমে সিনেমায় রাখার কোনো পরিকল্পনাই ছিল না।

সিনেমার পরিচালক জেমস ক্যামেরন প্রথমে চেয়েছিলেন পুরো সিনেমায় শুধু আবহ সংগীত থাকবে, কোনো গান থাকবে না। বিশেষ করে সিনেমার শেষে কোনো পপ গান রাখার ঘোর বিরোধী ছিলেন তিনি। কিন্তু সিনেমার সুরকার জেমস হর্নার অন্য কিছু ভাবছিলেন। তিনি গোপনে গীতিকার উইল জেনিংসকে নিয়ে একটি গান তৈরি করেন এবং গায়িকা সেলিন ডিয়নের সাথে যোগাযোগ করেন।

সেলিন ডিয়নও প্রথমে গানটি গাইতে রাজি হননি। পরে তাঁর স্বামী ও ম্যানেজারের অনুরোধে তিনি মাত্র একবারের চেষ্টায় গানটির ডেমো রেকর্ড করেন। সুরকার জেমস হর্নার সঠিক সময়ের অপেক্ষায় ছিলেন। একদিন জেমস ক্যামেরন যখন খুব ভালো মেজাজে ছিলেন, তখন হর্নার তাঁকে গানটি শোনান। গানটি শুনে ক্যামেরন এতটাই মুগ্ধ হন যে তিনি এটি সিনেমায় রাখতে রাজি হয়ে যান।

মুক্তির পর ‘মাই হার্ট উইল গো অন’ গানটি বিশ্বজুড়ে ইতিহাস তৈরি করে। এটি সে সময়কার সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া একক গানগুলোর একটিতে পরিণত হয়। অস্কারের মঞ্চে সেরা মৌলিক গানের পুরস্কারও জিতে নেয় এটি। আজও টাইটানিক সিনেমার কথা উঠলেই সবার আগে এই গানটির সুর মানুষের মনে ভেসে ওঠে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

টাইটানিক সিনেমার এই গানটির গল্প আমাদের শেখায় যে শিল্প সৃষ্টিতে অনেক সময় ঝুঁকি নিতে হয়। পরিচালকের কঠোর সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সুরকার জেমস হর্নার যে সাহস দেখিয়েছিলেন, তা শেষ পর্যন্ত সিনেমাটিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সেলিন ডিয়নের আবেগঘন কণ্ঠ ছাড়া টাইটানিকের ট্র্যাজেডি হয়তো দর্শকদের মনে এতটা গভীরভাবে দাগ কাটতে পারত না।

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম