অবৈধ পথে বিদেশ যাওয়া বন্ধ করতে দেশেই প্রতিরোধ চান মন্ত্রী
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

অবৈধ পথে বিদেশ যাত্রা বন্ধ করতে দেশের ভেতরেই প্রতিরোধ গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী। তিনি দালালের খপ্পর থেকে মানুষকে বাঁচাতে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন।
- অবৈধভাবে বিদেশ যাওয়া ঠেকাতে দেশের ভেতরেই দালালদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে হবে।
- দালালের খপ্পরে পড়ে প্রতি বছর অনেক বাংলাদেশি ভূমধ্যসাগরে বা অন্য দেশে বিপদে পড়ছেন।
- বৈধ ও নিরাপদ উপায়ে কম খরচে কর্মী পাঠানোর সুযোগ বাড়াতে কাজ করছে সরকার।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
অবৈধ উপায়ে সাগর বা দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে বিদেশ যাওয়া বন্ধ করতে দেশের ভেতরেই শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী। তিনি বলেন, দালালেরা যাতে দেশের সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পথে পাঠাতে না পারে, সে জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।
প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার মানুষ ইউরোপ বা মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার আশায় দালালের খপ্পরে পড়েন। লিবিয়া বা ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকের মৃত্যু হয়, আবার অনেকে বন্দি হন বিদেশের জেলে। এই পরিস্থিতি ঠেকাতে সরকার এখন বৈধ উপায়ে কম খরচে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করার ওপর জোর দিচ্ছে।
এই বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যারা অবৈধভাবে মানুষ পাঠায়, সেইসব দালাল ও এজেন্সির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সাথে দেশের প্রতিটি জেলায় সচেতনতা বাড়ানোর জন্য বিশেষ প্রচার চালানো হবে, যাতে মানুষ সঠিক তথ্য জানতে পারে এবং প্রতারিত না হয়।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু আইন দিয়ে এই সমস্যা পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব নয়। এর জন্য দরকার জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তরুণদের জন্য কাজের সুযোগ তৈরি করা এবং বৈধভাবে বিদেশ যাওয়ার খরচ সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসা।
“অবৈধ অভিবাসন বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সমস্যা। শুধু আইন প্রয়োগ করে এটি বন্ধ করা যাবে না, বরং তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বৈধ পথে বিদেশ যাওয়ার খরচ কমানো জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।


