এরশাদের করা মামলায় যেভাবে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বিদিশা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের করা চুরির মামলায় তাঁর সাবেক স্ত্রী বিদিশা এরশাদের গ্রেপ্তারের পেছনের আসল কারণ ও ঘটনা।
- ২০০৫ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের করা মামলায় গ্রেপ্তার হন বিদিশা এরশাদ।
- বিদিশার বিরুদ্ধে টাকা ও গহনা চুরি এবং পাসপোর্ট জালিয়াতির অভিযোগ ছিল।
- বিদিশা এই মামলাটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা এরশাদের গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনাটি দেশের রাজনীতিতে বড় আলোড়ন তৈরি করেছিল। ২০০৫ সালের মে মাসে গুলশানের বাসা থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এরশাদের করা একটি চুরির মামলায় তাঁকে আটক করা হয়েছিল।
এই ঘটনার পেছনে ছিল পারিবারিক ও রাজনৈতিক বিরোধ। এরশাদ অভিযোগ করেছিলেন, বিদিশা তাঁর বাসা থেকে টাকা ও মূল্যবান গহনা চুরি করেছেন। এছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে পাসপোর্ট জালিয়াতির অভিযোগও আনা হয়েছিল। গ্রেপ্তারের পর বিদিশাকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
বিদিশার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, এই মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁকে মানসিকভাবে কষ্ট দেওয়ার জন্য এবং রাজনৈতিক কারণে এই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন। সেই সময় এই ঘটনাটি নিয়ে দেশের মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিদিশা জামিনে মুক্তি পান এবং এরশাদের সাথে তাঁর সম্পর্কের চূড়ান্ত অবসান ঘটে। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবারের ভেতরের দ্বন্দ্ব ও আইনি লড়াইয়ের একটি বড় উদাহরণ হয়ে রয়েছে।
“বিদিশা এরশাদের গ্রেপ্তার কেবল একটি পারিবারিক বিরোধ ছিল না, এটি তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির সাথেও যুক্ত ছিল। এই ঘটনাটি দেখায় কীভাবে পারিবারিক দ্বন্দ্ব আইনি ও রাজনৈতিক রূপ নিতে পারে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



