বুধবার বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বুধবার ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে এই সময়ে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
- বুধবার বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আনা-নেওয়া বন্ধ থাকবে।
- পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টধারী যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করতে পারবেন।
- বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আবার আগের মতোই আমদানি-রপ্তানি শুরু হবে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আগামী বুধবার ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। তবে বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকবে।
সাধারণত বিভিন্ন সরকারি ছুটি বা বিশেষ উৎসবের দিনে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে দুই দেশের বাণিজ্য বন্ধ রাখা হয়। বুধবারের এই ছুটির কারণে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর ও বাংলাদেশের বেনাপোল বন্দরে শত শত পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, একদিন বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আবার পুরোদমে পণ্য খালাস ও আমদানি-রপ্তানি শুরু হবে।
বেনাপোল বন্দরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকার সময়ে বন্দরে যাতে কোনো ধরনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়, সে জন্য বাড়তি নজরদারি রাখা হবে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখবে। এছাড়া কাস্টমস হাউসের জরুরি কাজগুলো সীমিত পরিসরে চলতে পারে।
বেনাপোল দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর হওয়ায় একদিন বন্ধ থাকলেই কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ছুটির পর দ্রুত পণ্য খালাসের জন্য তারা বাড়তি প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। বৃহস্পতিবার কাজ শুরু হলে জট কমাতে অতিরিক্ত সময় কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষের।
“বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন শত শত কোটি টাকার পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়। একদিনের জন্য বন্দর বন্ধ থাকলে শুধু রাজস্ব ক্ষতিই হয় না, বরং পচনশীল পণ্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। তাই ছুটির দিনেও জরুরি পণ্য খালাসের জন্য একটি বিশেষ ব্যবস্থা রাখা প্রয়োজন।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



