নিখোঁজ স্বজনদের ফেরার অপেক্ষায় আজ পালিত হচ্ছে গুম প্রতিরোধ দিবস
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

আজ ৩০ আগস্ট বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। বাংলাদেশেও গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা তাদের প্রিয়জনদের ফিরে পাওয়ার দাবিতে নানা কর্মসূচি পালন করছেন।
- প্রতি বছর ৩০ আগস্ট বিশ্বজুড়ে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে এই দিবসটি পালন করা হয়।
- বাংলাদেশে বিগত বছরগুলোতে গুম হওয়া ব্যক্তিদের ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাদের পরিবারের সদস্যরা।
- বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গুমের ঘটনা তদন্তে একটি বিশেষ কমিশন গঠন করেছে এবং আন্তর্জাতিক সনদে সই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
আজ ৩০ আগস্ট, বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা তাদের প্রিয়জনদের ফিরে পাওয়ার দাবিতে জড়ো হয়েছেন। বছরের পর বছর ধরে নিখোঁজ থাকা মানুষদের সন্ধান চেয়ে কাঁদছেন তাদের মা, বাবা, সন্তান ও স্ত্রীরা।
২০০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে গুম হওয়া সব ব্যক্তির জন্য একটি আন্তর্জাতিক সনদ গৃহীত হয়। এরপর ২০১০ সাল থেকে প্রতি বছর ৩০ আগস্ট বিশ্বজুড়ে এই দিবসটি পালন করা শুরু হয়। বাংলাদেশে বিগত বছরগুলোতে বহু মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, বছরের পর বছর ধরে শত শত পরিবার তাদের প্রিয়জনদের কোনো খোঁজ পাননি।
সম্প্রতি বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সংগঠন 'মায়ের ডাক' নতুন করে তাদের দাবি তুলে ধরেছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গুমের ঘটনাগুলো তদন্ত করার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিশন গঠন করেছে। এছাড়া সরকার গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে সই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর মনে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে।
মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, গুমের মতো অমানবিক অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে হবে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সহায়তা করা প্রয়োজন। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো নাগরিককে এভাবে হারিয়ে যেতে না হয়, তা নিশ্চিত করাই হবে এই দিবসের মূল লক্ষ্য।
“গুম একটি চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন, যা একটি পরিবারকে চিরতরে অনিশ্চয়তা ও কষ্টের মধ্যে ফেলে দেয়। বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়টি নিয়ে ভয়ের পরিবেশ ছিল। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তদন্ত কমিশন গঠন ও আন্তর্জাতিক সনদে সই করার উদ্যোগ একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে নিখোঁজদের দ্রুত খুঁজে বের করা এবং দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



