নতুন পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের কোন গ্রেডে কত বেতন?
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

দেশের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন নবম পে-স্কেল চালুর দাবি জোরালো হচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়ায় বর্তমান বেতন দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানাচ্ছেন কর্মচারীরা। বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে গ্রেড কমিয়ে বেতন বাড়ানোর একটি খসড়া প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
- ২০১৫ সালের পর নতুন কোনো পে-স্কেল না হওয়ায় সরকারি কর্মচারীরা নতুন স্কেলের দাবি করছেন।
- প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোতে গ্রেডের সংখ্যা ২০টি থেকে কমিয়ে ১০টিতে নামিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে।
- সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন ২২ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছেন কর্মচারী নেতারা।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
বাজারে সব ধরনের জিনিসপত্রের দাম অনেক বেড়ে গেছে। এই অবস্থায় বর্তমান বেতন দিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। বিশেষ করে কম আয়ের কর্মচারীদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। তাই তারা দ্রুত নতুন নবম পে-স্কেল চালুর দাবি জানাচ্ছেন।
বাংলাদেশে সর্বশেষ ২০১৫ সালে অষ্টম পে-স্কেল দেওয়া হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৯ বছর পার হয়ে গেলেও নতুন কোনো বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হয়নি। কর্মচারী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে নতুন পে-স্কেলের একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে, যেখানে বেতন বাড়ানোর পাশাপাশি বৈষম্য দূর করার কথা বলা হয়েছে।
প্রস্তাবিত এই নতুন কাঠামোতে বর্তমানের ২০টি গ্রেডকে কমিয়ে ১০টি করার কথা বলা হয়েছে। এতে সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন ২২ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ গ্রেডের মূল বেতন ৮০ হাজার টাকার বেশি করার দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া মহার্ঘ ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর দাবিও রয়েছে এর মধ্যে।
এই বিষয়ে সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের নেতারা সরকারের উচ্চপর্যায়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন। সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে এবং দ্রুত একটি নতুন বেতন কমিশন গঠন করবে বলে আশা করছেন সাধারণ কর্মচারীরা। তবে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
“বাজারে জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর দাবিটি যৌক্তিক। তবে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক চাপ ও বাজেটের কথা মাথায় রেখে সরকারকে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। গ্রেড কমানো এবং নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের বেতন বাড়ানো গেলে বৈষম্য অনেকটাই দূর হবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



