গুমের তদন্তে যেন রাজনীতি না জড়ানো হয়: তুলি
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

গুম হওয়া ব্যক্তিদের খোঁজে গঠিত তদন্ত কমিশনের কাজ যেন কোনো রাজনৈতিক প্রভাবে বাধাগ্রস্ত না হয়, সেই দাবি জানিয়েছেন ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি।
- গুমের প্রতিটি অভিযোগ কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা ছাড়া নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে।
- অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিতে হবে।
- ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের কষ্ট দূর করতে নিখোঁজদের দ্রুত খুঁজে বের করার দাবি জানানো হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
গুম হওয়া মানুষদের খুঁজে বের করতে গঠিত তদন্ত কমিশনের কাজ নিয়ে কথা বলেছেন ‘মায়ের ডাক’ সংগঠনের সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, গুমের কোনো অভিযোগই যেন রাজনৈতিক চোখ দিয়ে দেখা না হয়। প্রতিটি ঘটনার পেছনে আসল সত্য কী, তা কোনো প্রভাব ছাড়াই বের করে আনতে হবে। নিখোঁজ স্বজনদের ফিরে পাওয়ার আশায় বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা করা পরিবারগুলো এখন কেবল ন্যায়বিচার চায়।
বিগত বছরগুলোতে দেশে অসংখ্য মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন বলে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন দাবি করে আসছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি বিশেষ তদন্ত কমিশন গঠন করেছে। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর মনে এখনো নানা আশঙ্কা রয়েছে। তারা চান না যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে এই তদন্তের মূল উদ্দেশ্য হারিয়ে যাক।
সানজিদা ইসলাম তুলি জানান, অতীতে অনেক তদন্তই রাজনৈতিক কারণে ধামাচাপা পড়ে গেছে। এবার যেন সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি না হয়। অপরাধীদের পরিচয় যা-ই হোক না কেন, তাদের বিচারের মুখোমুখি করা জরুরি। একই সাথে গুমের শিকার পরিবারগুলোকে সব ধরনের আইনি ও মানসিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
দেশের মানবাধিকার কর্মীরাও মনে করছেন, এই তদন্ত কমিশনের কাজ যদি পুরোপুরি নিরপেক্ষ হয়, তবেই দেশে আইনের শাসন ফিরে আসবে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো আশা করছে, এবার তারা তাদের নিখোঁজ স্বজনদের ব্যাপারে সঠিক তথ্য জানতে পারবে। তদন্তের স্বচ্ছতা বজায় রাখলে সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস আরও বাড়বে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
“গুমের মতো স্পর্শকাতর ও অমানবিক ঘটনার তদন্ত রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা অত্যন্ত জরুরি। অতীতে রাজনৈতিক স্বার্থে অনেক তদন্ত বাধাগ্রস্ত হওয়ার নজির রয়েছে। বর্তমান তদন্ত কমিশন যদি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারে, তবে তা দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনবে এবং মানবাধিকার রক্ষায় একটি বড় মাইলফলক হয়ে থাকবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।


