আমার লাশের ওপর দিয়ে ফটিকছড়িতে চাঁদাবাজি করতে হবে: এমপি সরোয়ার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) সরোয়ার। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এলাকায় কোনো ধরনের চাঁদাবাজি ও মানুষের ওপর জুলুম সহ্য করা হবে না।
- ফটিকছড়িতে সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এমপি সরোয়ার।
- তিনি বলেন, এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে যেকোনো মূল্যে চাঁদাবাজদের প্রতিহত করা হবে।
- সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি ও সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম সহ্য করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) সরোয়ার। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ফটিকছড়িতে চাঁদাবাজি করতে হলে তার লাশের ওপর দিয়ে করতে হবে। এলাকায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেন।
সম্প্রতি ফটিকছড়ির বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায়ের অভিযোগ ওঠে। বিশেষ করে স্থানীয় বাজার ও পরিবহন খাতে কিছু চক্র সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলেছিল। এই পরিস্থিতিতে এমপি সরোয়ার স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে একটি জরুরি সভা করেন এবং চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে এই কঠোর বার্তা দেন।
এমপির এই কঠোর অবস্থানে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে কিছু প্রভাবশালী চক্রের কারণে তারা শান্তিতে ব্যবসা করতে পারছিলেন না। এখন এমপির সরাসরি হস্তক্ষেপে এলাকায় শান্তি ফিরবে বলে তারা আশা করছেন। একই সাথে পুলিশ প্রশাসনও চাঁদাবাজদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, চাঁদাবাজদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকবে না এবং অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না। এমপি সরোয়ার স্পষ্ট করে বলেছেন, ফটিকছড়িকে একটি শান্ত ও নিরাপদ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে কাজ করবেন তিনি। আগামী দিনেও এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
“ফটিকছড়িতে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে স্থানীয় এমপির এই কঠোর অবস্থান প্রশংসনীয়। তবে কেবল মৌখিক হুঁশিয়ারি নয়, মাঠ পর্যায়ে এর বাস্তব প্রতিফলন জরুরি। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন যদি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে পারে, তবেই সাধারণ মানুষ এর সুফল পাবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



