Read in English
পাঠক সুবিধা:
আন্তর্জাতিকঢাকা

হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরানকে সামরিক হামলার হুমকি দিল যুক্তরাষ্ট্র

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরানকে সামরিক হামলার হুমকি দিল যুক্তরাষ্ট্র
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে ইরান বাধা দিলে তাদের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি ব্যবহার করা হবে বলে হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি সচল রাখতে তারা যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • হরমুজ প্রণালীতে ইরানের যেকোনো ধরনের উসকানিমূলক পদক্ষেপের কড়া জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।
  • বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এই নৌপথটি সচল রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করে ওয়াশিংটন।
  • ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে তৈরি হওয়া এই উত্তেজনা বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে বাধা দিলে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি ব্যবহার করার হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক এই নৌপথে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে তারা প্রস্তুত রয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের একটি বড় অংশ যাতায়াত করে। তাই এই পথ বন্ধ করার যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে ওয়াশিংটন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরেই হরমুজ প্রণালী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বিরোধ চলছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি দিয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বিভিন্ন দেশে পাঠানো হয়। এর আগে ইরান বেশ কয়েকবার এই প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সচল রাখতে এবং মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা ওই এলাকায় তাদের নজরদারি আরও বাড়িয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের এই হুমকির পর ইরানের পক্ষ থেকেও কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। তেহরান দাবি করেছে, তাদের সীমানার কাছে যেকোনো বিদেশি সামরিক উপস্থিতি এই অঞ্চলের শান্তি নষ্ট করবে। তারা নিজেদের জলসীমা রক্ষা করতে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলো এই পরিস্থিতিতে গভীর নজর রাখছে এবং তারা চায় না যে নতুন করে কোনো যুদ্ধ বা সংঘাত তৈরি হোক।

বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, দুই দেশের এই মুখোমুখি অবস্থানের কারণে বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দাম হঠাৎ করেই বেড়ে যেতে পারে। তবে এখনই কোনো সরাসরি সামরিক সংঘাত শুরু হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত করতে কূটনৈতিক আলোচনা চালানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। আগামী দিনগুলোতে এই অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর তৎপরতা কেমন থাকে, তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

হরমুজ প্রণালী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এই বিরোধ নতুন কিছু নয়, তবে সামরিক শক্তির সরাসরি হুমকি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশ্ব অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এই নৌপথের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই যেকোনো ধরনের সামরিক সংঘাত এড়াতে দুই পক্ষকেই সংযত হতে হবে এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে হবে।

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম