জাতীয় পুরস্কার দেওয়ার কমিটি নতুন করে গঠন করল সরকার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

দেশের বিভিন্ন জাতীয় পুরস্কার দেওয়ার জন্য মন্ত্রিসভা কমিটি নতুন করে গঠন করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই কমিটির প্রধান হিসেবে কাজ করবেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা।
- জাতীয় পুরস্কার দেওয়ার জন্য নতুন মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
- এই কমিটির প্রধান করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাকে।
- স্বাধীনতা পদক ও একুশে পদকের মতো বড় পুরস্কারের জন্য যোগ্য ব্যক্তি বাছাই করবে এই কমিটি।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেওয়া জাতীয় পুরস্কারের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই করতে নতুন কমিটি গঠন করেছে সরকার। 'জাতীয় পুরস্কারসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি' নামের এই কমিটি নতুন করে গঠন করে সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। নতুন এই কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টা। তাদের মধ্যে রয়েছেন আইন উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, শিক্ষা উপদেষ্টা এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা। মন্ত্রিপরিষদ সচিব এই কমিটিকে কাজে সহায়তা করবেন। আগের সরকারের সময়ে গঠিত কমিটিকে বাতিল করে এই নতুন কমিটি গঠন করা হলো।
এই কমিটি মূলত স্বাধীনতা পদক, একুশে পদক এবং বেগম রোকেয়া পদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় পুরস্কারের জন্য যোগ্য ব্যক্তিদের নাম চূড়ান্ত করবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে আসা নামের তালিকা যাচাই করে তারা যোগ্যদের নির্বাচন করবেন। এরপর কমিটির সুপারিশ করা তালিকাটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঠানো হবে।
প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য গুণী মানুষদের এসব রাষ্ট্রীয় পুরস্কার দেওয়া হয়। নতুন কমিটি গঠনের ফলে পুরস্কার দেওয়ার প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও দ্রুত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। যোগ্য ও সঠিক মানুষেরা যাতে রাষ্ট্রীয় সম্মান পান, তা নিশ্চিত করাই এই কমিটির মূল লক্ষ্য।
“জাতীয় পুরস্কার নিয়ে অতীতে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অযোগ্য ব্যক্তিদের পুরস্কার দেওয়া বা রাজনৈতিক বিবেচনায় নাম নির্বাচন করার অভিযোগ উঠেছে বারবার। নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে এই কমিটি পুনর্গঠন একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে কমিটির সদস্যরা কতটা নিরপেক্ষভাবে এবং প্রভাবমুক্ত হয়ে যোগ্য ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে পারেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



