পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ নিয়ে যা জানা গেল
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করার বিষয়টি নিয়ে সব বিতর্ক ও ধোঁয়াশা দূর করে আসল তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ নিয়ে সব ধরনের বিভ্রান্তি দূর করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী মন্ত্রী বা এমপি হতে হলে বিদেশি নাগরিকত্ব ছাড়তে হয়।
- যুক্তরাজ্যের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে নাগরিকত্ব বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। তিনি আসলেই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছেড়েছেন কি না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এই বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আসল তথ্য পরিষ্কার করা হয়েছে।
বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, কোনো বিদেশি নাগরিকত্ব থাকলে কেউ সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী হতে পারেন না। এই কারণে নির্বাচনের আগে বা দায়িত্ব নেওয়ার সময় দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার নিয়ম রয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ক্ষেত্রেও এই নিয়ম মেনে ব্রিটিশ পাসপোর্ট ও নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন করা হয়েছিল এবং তা সম্পন্ন হয়।
এই বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নিয়ম মেনেই সব কাজ করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর থেকেও নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিরোধীদের নানা অভিযোগের জবাবে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়।
এই বিতর্কের অবসান ঘটার পর এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। নির্বাচন কমিশন এবং সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, আইন মেনে চলাই সবার জন্য জরুরি। ভবিষ্যতে এই ধরনের বিতর্ক এড়াতে সব তথ্য সবার সামনে পরিষ্কার রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে।
“এই প্রতিবেদনটি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিতর্কটির আইনি ও রাজনৈতিক দিকগুলো সহজ ভাষায় তুলে ধরেছে। দেশের আইন মেনে চলার গুরুত্ব এবং রাজনৈতিক স্বচ্ছতা বজায় রাখার বিষয়টি এখানে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



