স্বৈরাচার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নজরুল আজও বড় অনুপ্রেরণা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে ঢাকায় একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বক্তারা বলেন, যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে নজরুলের কবিতা ও গান মানুষকে সাহস জোগায়।
- যেকোনো ধরনের অন্যায় ও স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে কাজী নজরুল ইসলামের লেখা আজও মানুষকে পথ দেখায়।
- কবি নজরুলের সাম্যবাদী ও বিপ্লবী চেতনা তরুণ সমাজকে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে সাহস জোগায়।
- বক্তারা নজরুল চর্চা আরও বাড়ানোর এবং তাঁর সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দেওয়ার তাগিদ দেন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশে যেকোনো অন্যায়, অত্যাচার ও স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম আজও সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় কবি নজরুলের জীবন ও কর্ম নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় দেশের বিশিষ্টজনেরা এই কথা বলেন। তাঁরা জানান, নজরুল শুধু তাঁর নিজের সময়ের জন্যই লেখেননি, বরং তাঁর প্রতিটি কবিতা ও গান বর্তমান সময়ের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধেও সমানভাবে কার্যকর।
বক্তারা বলেন, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী সময়ে স্বৈরাচার বিরোধী প্রতিটি আন্দোলনে নজরুলের গান ও কবিতা মানুষকে উজ্জীবিত করেছে। শোষিত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য তিনি যেভাবে কলম ধরেছিলেন, ইতিহাসে তার তুলনা মেলা ভার। বর্তমান সময়েও যখনই মানুষের বাকস্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়, তখনই নজরুলের বিদ্রোহী চেতনা প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া গবেষক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা বলেন, নজরুলকে কেবল একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে আটকে রাখলে চলবে না। তাঁর অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সাম্যবাদী চিন্তা আজ সমাজে ছড়িয়ে দেওয়া খুবই জরুরি। তরুণ প্রজন্মকে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হলে নজরুলের সাহিত্যকে আরও গভীরভাবে বুঝতে হবে এবং তা নিজেদের জীবনে ধারণ করতে হবে।
আলোচনা সভার শেষ অংশে বক্তারা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিństানে নজরুল চর্চা বাড়ানোর দাবি জানান। তাঁরা বলেন, একটি বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক সমাজ গড়তে নজরুলের আদর্শের কোনো বিকল্প নেই। নতুন প্রজন্মের হাত ধরে নজরুলের সেই বিপ্লবী চেতনা ছড়িয়ে পড়লে দেশ থেকে সব ধরনের অন্যায় ও স্বৈরাচার দূর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তাঁরা।
“কাজী নজরুল ইসলাম কেবল অতীতের কোনো কবি নন, বরং তিনি চিরকালের প্রতিবাদের প্রতীক। বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে যখনই সাধারণ মানুষের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হয়, তখনই নজরুলের কবিতা নতুন করে প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। তাঁর অসাম্প্রদায়িক ও সাম্যবাদী চেতনাকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠন করা সম্ভব।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



