নাগরিকত্ব নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর রাগ দেখানোকে স্বৈরাচারী আচরণ বলল টিআইবি
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন করায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াকে স্বৈরাচারী আমলের আচরণের সঙ্গে তুলনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি মনে করে, জনগণের প্রশ্নের মুখে সরকারের এমন আচরণ গণতান্ত্রিক রীতিনীতির পরিপন্থী।
- নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন করায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াকে স্বৈরাচারী আচরণ বলেছে টিআইবি।
- সংস্থাটি মনে করে, জনগণের যৌক্তিক প্রশ্নের জবাব দেওয়া সরকারের দায়িত্ব, রাগ দেখানো নয়।
- এই ধরনের আচরণ স্বাধীন সাংবাদিকতা ও নাগরিক অধিকারের ওপর আঘাত বলে মনে করে টিআইবি।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ও রাগ দেখানোর কড়া সমালোচনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে বলেছে, জনগণের যৌক্তিক প্রশ্নের মুখে সরকারের একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর এমন আচরণ স্বৈরাচারী বা পুরনো আমলের শাসনের কথা মনে করিয়ে দেয়। এটি কোনোভাবেই একটি গণতান্ত্রিক দেশের নাগরিক অধিকারের সঙ্গে মেলে না।
সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এই ঘটনার পর দেশজুড়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। টিআইবি মনে করে, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় চলা সরকারের প্রতিনিধিদের জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। কোনো প্রশ্ন পছন্দ না হলে রেগে যাওয়া বা ধমক দেওয়া কোনো ভালো দৃষ্টান্ত নয়।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, স্বাধীন সাংবাদিকতা ও নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকারকে সম্মান জানাতে হবে। যেকোনো বিষয়ে প্রশ্ন করা গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের অধিকার। সেই অধিকারকে সম্মান না দেখিয়ে উল্টো ক্ষোভ প্রকাশ করা স্বাধীন মতপ্রকাশের পথকে বন্ধ করার চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়।
সংস্থাটি সরকারকে এই ধরনের আচরণ থেকে সরে এসে আরও সহনশীল ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তারা মনে করে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হলে সব ধরনের সমালোচনা শোনার মানসিকতা থাকতে হবে। ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে টিআইবি।
“গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় জনগণের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান দায়িত্ব। টিআইবির এই বিবৃতি মূলত সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের আচরণগত পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরে। মন্ত্রীদের এমন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জনগণের মধ্যে নেতিবাচক বার্তা দেয়, যা গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



