মানুষের জীবন ও জীবিকায় আঘাত করাও যুদ্ধের অংশ: ইরান
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ইরান দাবি করেছে যে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও জীবিকার ওপর চাপ সৃষ্টি করাও যুদ্ধের একটি বড় কৌশল। দেশটির মতে, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও দৈনন্দিন সেবা ব্যাহত করে জনগণকে কষ্ট দেওয়া সামরিক হামলার মতোই ক্ষতিকর।
- ইরানের মতে, যুদ্ধ শুধু অস্ত্র দিয়ে হয় না, মানুষের রুজি-রোজগার বন্ধ করাও যুদ্ধের অংশ।
- সাধারণ মানুষের জীবন কঠিন করে তুলে সরকারকে চাপে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি দেশটির।
- এই ধরনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক চাপকে আধুনিক যুদ্ধের নতুন কৌশল হিসেবে দেখছে ইরান।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ইরান সরকারের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও জীবিকার ওপর চাপ তৈরি করাও এক ধরনের যুদ্ধ। দেশটির নীতি নির্ধারকেরা মনে করেন, প্রতিপক্ষ দেশগুলো এখন সরাসরি সামরিক হামলার পাশাপাশি মানুষের রুজি-রোজগার বন্ধ করার পথ বেছে নিয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির মুখে পড়ছে, যা যুদ্ধের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।
দীর্ঘদিন ধরে ইরানের ওপর নানা ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে রেখেছে পশ্চিমা দেশগুলো। এর ফলে দেশটির সাধারণ মানুষের চিকিৎসা, খাবার ও দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। ইরানের দাবি, এই নিষেধাজ্ঞাগুলো আসলে সাধারণ মানুষের জীবনকে অচল করে দেওয়ার একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত, যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।
এই বিষয়ে ইরানের কর্মকর্তারা বলছেন, আধুনিক যুগে যুদ্ধের রূপ বদলে গেছে। এখন শুধু বোমা বা ক্ষেপণাস্ত্র মেরে নয়, বরং ব্যাংকিং সেবা বন্ধ করে, ব্যবসা-বাণিজ্যে বাধা দিয়ে এবং নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে একটি দেশকে কাবু করার চেষ্টা করা হয়। তারা একে 'অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ' হিসেবেও উল্লেখ করেছেন এবং এর বিরুদ্ধে বিশ্ববাসীকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ইরানের এই বক্তব্য মূলত তাদের ওপর চলমান বৈশ্বিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়া। সামনের দিনগুলোতে এই ধরনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক চাপ মোকাবিলা করে ইরান কীভাবে নিজের অর্থনীতি সচল রাখে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। তবে এই পরিস্থিতির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশটির সাধারণ নাগরিকেরা।
“ইরানের এই বক্তব্যটি আধুনিক যুদ্ধের একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। বর্তমান বিশ্বে সামরিক শক্তির পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাপকে যুদ্ধের বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা বা অর্থনৈতিক অবরোধের ফলে সরাসরি শাসকেরা ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও, সাধারণ মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। ইরান এই বিষয়টিকে সামনে এনে বিশ্ব দরবারে নিজেদের ওপর হওয়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনমত তৈরির চেষ্টা করছে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



