Read in English
পাঠক সুবিধা:
আন্তর্জাতিকঢাকা

হাজার মাইল দূরের মার্কিন যুদ্ধবিমানে আঘাত হানবে চীনের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
হাজার মাইল দূরের মার্কিন যুদ্ধবিমানে আঘাত হানবে চীনের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

চীন এমন একটি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে যা হাজার মাইল দূরের মার্কিন যুদ্ধবিমানকে নিখুঁতভাবে আঘাত করতে পারবে।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • চীন অনেক দূরপাল্লার নতুন একটি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে।
  • এই ক্ষেপণাস্ত্রটি হাজার মাইল দূরের মার্কিন যুদ্ধবিমানে আঘাত হানতে সক্ষম।
  • নতুন এই প্রযুক্তির ফলে আমেরিকার সামরিক শক্তির ওপর বড় চাপ তৈরি হতে পারে।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

চীন ও আমেরিকার মধ্যে সামরিক প্রতিযোগিতা আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। চীন এমন একটি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে, যা অনেক দূর থেকে শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান ধ্বংস করতে পারে। বিশেষ করে আমেরিকার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলোকে লক্ষ্য করে এই অস্ত্র তৈরি করা হয়েছে বলে সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

এই নতুন ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় হাজার মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে। এর আগে এত দূর থেকে আকাশে থাকা কোনো বিমানকে নিশানা করার প্রযুক্তি কোনো দেশের কাছে ছিল না। চীনের এই নতুন সমরাস্ত্র তৈরির খবরটি বিশ্বজুড়ে বেশ আলোড়ন তৈরি করেছে।

সামরিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্রের কারণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার যুদ্ধজাহাজ ও বিমানগুলো বড় ঝুঁকিতে পড়বে। আমেরিকার বিমান বাহিনী সাধারণত দূর থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করে থাকে, কিন্তু চীনের এই প্রযুক্তির ফলে তাদের সেই সুবিধা আর থাকবে না।

এই ঘটনার পর আমেরিকাও তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার কথা ভাবছে। দুই দেশের এই সামরিক প্রতিযোগিতা আগামী দিনে বিশ্ব রাজনীতি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

চীনের এই নতুন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি কেবল সামরিক শক্তির প্রদর্শন নয়, বরং এটি আমেরিকার বৈশ্বিক আধিপত্যকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করার একটি বড় পদক্ষেপ। এর ফলে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে যেতে পারে।

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম