ঢাকার পল্লবী বিহারি ক্যাম্পে জামায়াত ও বিএনপির সংঘর্ষ
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ঢাকার মিরপুরের পল্লবী বিহারি ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জামায়াত ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
- ঢাকার মিরপুরের পল্লবী বিহারি ক্যাম্পে রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
- ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
- খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ঢাকার মিরপুরের পল্লবী বিহারি ক্যাম্পে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ হয়। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয় একটি বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা মারামারিতে রূপ নেয়। দুই পক্ষের সমর্থকেরা লাঠিসোঁটা নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন, যাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
can ঘটনার খবর পেয়ে পল্লবী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা লাঠিচার্জ করে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর এমন মুখোমুখি অবস্থানের কারণে তারা সবসময় আতঙ্কে থাকেন এবং তারা ক্যাম্পে শান্তি বজায় রাখার দাবি জানান।
বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে তবে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে কারা জড়িত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
“বিহারি ক্যাম্পগুলোতে ঘনবসতি ও নানা সামাজিক সমস্যার কারণে প্রায়ই ছোটখাটো ঘটনা বড় সংঘর্ষে রূপ নেয়। রাজনৈতিক দলগুলোর স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও তৎপর হতে হবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



