Read in English
পাঠক সুবিধা:
সারাদেশসিলেট

রাত ৮টার মধ্যে দোকান বন্ধ করতে রাজি সিলেটের ব্যবসায়ীরা

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
রাত ৮টার মধ্যে দোকান বন্ধ করতে রাজি সিলেটের ব্যবসায়ীরা
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সিলেট নগরীর সব দোকানপাট ও শপিং মল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতারা।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • সিলেটের ব্যবসায়ী নেতারা রাত ৮টার মধ্যে দোকান বন্ধ রাখার সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন।
  • বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
  • কাঁচাবাজার, ফার্মেসি ও জরুরি সেবা এই নিয়মের বাইরে থাকবে।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

সিলেটে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে রাত ৮টার মধ্যে সব ধরনের দোকানপাট, শপিং মল ও বিপণিবিতান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। সম্প্রতি সিলেট সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে ব্যবসায়ী নেতাদের এক বৈঠকে এই সম্মতি জানানো হয়। দেশের চলমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকারের নির্দেশনা মেনে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশজুড়ে রাত ৮টার পর দোকানপাট বন্ধ রাখার নিয়ম থাকলেও সিলেটে তা পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছিল না। তবে নতুন করে লোডশেডিং বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং প্রশাসনের কড়াকড়ির কারণে ব্যবসায়ীরা এখন এই নিয়ম মেনে চলতে রাজি হয়েছেন। ব্যবসায়ী নেতারা জানান, নিয়মটি কার্যকর হলে সিলেটে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব হবে।

এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ নাগরিক ও পরিবেশবাদীরা। তারা বলছেন, সঠিক সময়ে দোকান বন্ধ হলে শহরের যানজট যেমন কমবে, তেমনি মানুষ পরিবারকে বেশি সময় দিতে পারবে। তবে কিছু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, রাতে বেচাকেনা বেশি হয়, তাই হঠাৎ করে দোকান বন্ধ করলে তাদের আয়ের ওপর কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে।

প্রশাসন জানিয়েছে, নিয়ম অমান্য করে রাত ৮টার পর দোকান খোলা রাখলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে হোটেল, রেস্তোরাঁ, ওষুধের দোকান এবং জরুরি সেবাগুলো এই নিয়মের আওতামুক্ত থাকবে। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, সবার সহযোগিতায় এই নিয়ম সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে এবং বিদ্যুৎ সংকট দূর হবে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

সিলেটের ব্যবসায়ীদের এই সিদ্ধান্ত দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের লোকসান এড়াতে প্রশাসনের উচিত লোডশেডিংয়ের সময়সূচি সমন্বয় করা এবং নিয়মের সুষ্ঠু প্রয়োগ নিশ্চিত করা।

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম