সহজ নিয়মে পণ্য আনার নতুন আমদানি নীতি প্রকাশ করল সরকার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সহজ করতে নতুন আমদানি নীতি ২০২৪-২০২৬ প্রকাশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এতে পণ্য আমদানির নিয়মকানুন সহজ করার পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পকে সাহায্য করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
- নতুন নীতিতে বিদেশ থেকে কাঁচামাল ও প্রয়োজনীয় পণ্য আনা আগের চেয়ে সহজ হবে।
- ২০২৬ সালে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই নীতি সাহায্য করবে।
- ব্যবসা সহজ করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সহজ ও গতিশীল করতে নতুন আমদানি নীতি প্রকাশ করেছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রতি 'আমদানি নীতি আদেশ ২০২৪-২০২৬' নামের এই নতুন নিয়ম জারি করেছে। এর ফলে এখন থেকে বিদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য ও কাঁচামাল আনা আগের চেয়ে অনেক সহজ হবে। সাধারণ ব্যবসায়ী ও শিল্পমালিকেরা যাতে কম সময়ে ও সহজে পণ্য আমদানি করতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই নতুন নিয়ম তৈরি করা হয়েছে।
নতুন এই নীতিতে ২০২৬ সালে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরের বিষয়টি মাথায় রাখা হয়েছে। বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে আমদানির নিয়মকানুন আগের চেয়ে আধুনিক করা হয়েছে। বিশেষ করে দেশের কলকারখানার জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানির প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে, যাতে দেশের উৎপাদন ব্যাহত না হয়। একই সঙ্গে ক্ষতিকর বা অপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি নিয়ন্ত্রণেও কিছু নতুন নিয়ম যুক্ত করা হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন এই নীতি দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। ব্যবসায়ীরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়া দ্রুত পণ্য খালাস করতে পারেন, সে জন্য ডিজিটাল ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোও সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা আশা করছেন, এর ফলে বাজারে পণ্যের সরবরাহ বাড়বে এবং দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন আমদানি নীতি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন আসবে। তবে নিয়মগুলো যাতে সবাই সহজে মেনে চলতে পারেন, সে জন্য কাস্টমস ও বন্দরগুলোর সেবা আরও উন্নত করতে হবে। নতুন এই নীতি দেশের রপ্তানি খাতকেও পরোক্ষভাবে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
“নতুন আমদানি নীতিটি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় অত্যন্ত সময়োপযোগী। বিশেষ করে এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এটি ব্যবসায়ীদের বাড়তি সুবিধা দেবে। তবে নীতিটি কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে মাঠপর্যায়ে এর সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



