এবার স্থানীয় নেতাদের পছন্দেই প্রার্থী ঠিক করবে দল
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

আগামী নির্বাচনে দলের জয় নিশ্চিত করতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতামতের ওপর ভিত্তি করে প্রার্থী বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে দলের ভেতরের কোন্দল কমবে এবং যোগ্য প্রার্থীরা সামনে আসবেন বলে মনে করছেন নীতিনির্ধারকেরা।
- কেন্দ্র থেকে চাপিয়ে দেওয়া নয়, বরং স্থানীয় নেতাদের মতামতের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত প্রার্থী ঠিক করা হবে।
- দলের ভেতরের কোন্দল ও গ্রুপিং বন্ধ করতেই এই নতুন কৌশল নেওয়া হয়েছে।
- জনপ্রিয় ও সৎ প্রার্থীদের খুঁজে বের করতে মাঠ পর্যায়ে বিশেষ জরিপ চালানো হচ্ছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে রাজনৈতিক দলগুলো। এবার কেন্দ্র থেকে কোনো প্রার্থী চাপিয়ে না দিয়ে, সরাসরি স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতেই প্রার্থী চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের নীতিনির্ধারকেরা জানিয়েছেন, তৃণমূলের সমর্থন ছাড়া নির্বাচনে জয়লাভ করা কঠিন, তাই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অতীতে দেখা গেছে, স্থানীয় নেতাদের মতামত না নিয়ে কেন্দ্র থেকে প্রার্থী ঘোষণা করায় দলের ভেতরে কোন্দল তৈরি হতো। অনেক সময় বিদ্রোহী প্রার্থীরা দাঁড়িয়ে যেতেন, যার ফলে দলের মূল প্রার্থীর পরাজয় ঘটত। এই সমস্যা এড়াতে এবার প্রতিটি আসন থেকে তিনজনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করে কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মাঠ পর্যায়ের সাধারণ কর্মীরা। তারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে যারা দলের জন্য কাজ করছেন, তাদের মূল্যায়ন করার এটাই সেরা সুযোগ। অন্যদিকে, দলের কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছেন, শুধু স্থানীয় মতামতই নয়, প্রার্থীর জনপ্রিয়তা ও সততা যাচাই করতে মাঠ পর্যায়ে একাধিক গোপন জরিপও চালানো হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যোগ্য ও সৎ নেতৃত্ব সামনে আসার সুযোগ তৈরি হবে। তবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার বা স্বজনপ্রীতি না হয়, সেদিকেও কড়া নজর রাখতে হবে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই প্রক্রিয়ায় প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে।
“তৃণমূলের মতামত নিয়ে প্রার্থী বাছাইয়ের সিদ্ধান্তটি রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এটি দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে এবং কর্মীদের কাজের উৎসাহ বাড়াবে। তবে এই প্রক্রিয়াটি যেন স্বচ্ছ ও প্রভাবমুক্ত থাকে, তা নিশ্চিত করাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



