সরকারি দলের চেয়ে বিরোধী এমপিরা বরাদ্দ অনেক কম পান: জামায়াত আমির
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

এলাকার উন্নয়নে সরকারি দলের এমপিদের তুলনায় বিরোধী দলের এমপিরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
- সরকারি দলের এমপিদের তুলনায় বিরোধী দলের এমপিরা উন্নয়ন বরাদ্দ অনেক কম পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
- জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এই বৈষম্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
- জনগণের ট্যাক্সের টাকায় সবার সমান অধিকার থাকা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশের উন্নয়ন বরাদ্দে সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের মধ্যে বড় ধরনের বৈষম্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সরকারি দলের এমপিরা যে পরিমাণ বরাদ্দ পান, বিরোধী দলের এমপিরা তার ধারে-কাছেও নেই। এলাকার মানুষের উন্নয়নের স্বার্থে এই বৈষম্য দূর করা দরকার।
সম্প্রতি এক দলীয় সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় জামায়াত আমির এই কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় সরকারি বাজেট তৈরি হয়। কিন্তু সেই টাকা যখন এলাকার উন্নয়নের জন্য ভাগ করা হয়, তখন বিরোধী দলের এলাকার মানুষ বঞ্চিত হন। এটি দেশের সাধারণ মানুষের সাথে এক ধরনের অন্যায়।
এই বিষয়ে স্থানীয় জনগণের পক্ষ থেকেও নানা সময়ে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। বিরোধী দলের সমর্থকেরা বলছেন, দল ভিন্ন হলেও এলাকার রাস্তাঘাট ও স্কুলের উন্নয়ন সবার জন্যই দরকার। তাই বরাদ্দের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে জনগণের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, দেশের সব এলাকার সমান উন্নয়নের জন্য সুষম বাজেট বণ্টন জরুরি। সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে এই বরাদ্দের পার্থক্য দূর না হলে পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলো আরও পিছিয়ে পড়বে। দেশের সার্বিক অগ্রগতির জন্য সরকারকে এই বিষয়ে আরও উদার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
“উন্নয়ন বরাদ্দে রাজনৈতিক বৈষম্য বাংলাদেশের একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। সরকারি দলের এমপিদের বাড়তি সুবিধা দেওয়া এবং বিরোধী দলের এলাকাগুলোকে বঞ্চিত করার এই সংস্কৃতি দেশের সুষম উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে। সব নাগরিকের ট্যাক্সের টাকায় উন্নয়ন হয়, তাই রাজনৈতিক বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে বরাদ্দ দেওয়া উচিত।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



