ইরানের ওপর আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিল চীন
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ইরানের ওপর আমেরিকার নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছে চীন। বেইজিং জানিয়েছে, এই ধরণের একতরফা নিষেধাজ্ঞা কোনো সমাধান আনবে না, বরং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। তারা সব পক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।
- আমেরিকার একতরফা নিষেধাজ্ঞার সরাসরি বিরোধিতা করেছে চীন।
- বেইজিংয়ের মতে, এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করবে।
- নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে ইরানের সাথে স্বাভাবিক বাণিজ্য ও তেলের লেনদেন বজায় রাখার ঘোষণা দিয়েছে চীন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ইরানের ওপর আমেরিকার নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছে চীন। বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা যেকোনো দেশের ওপর আমেরিকার এমন একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে। চীন মনে করে, জোর করে চাপিয়ে দেওয়া এই সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি নষ্ট করবে এবং পরিস্থিতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে যাবে।
দীর্ঘদিন ধরেই ইরান ও আমেরিকার মধ্যে পরমাণু চুক্তি ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছে। সম্প্রতি আমেরিকা ইরানের ওপর নতুন করে কিছু অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ জারি করার ঘোষণা দেয়। এর জবাবে চীন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা সবসময় আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার পক্ষে এবং কোনো দেশের ওপর জোরপূর্বক চাপানো নিয়ম তারা মেনে নেবে না।
চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আমেরিকার এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়বে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে এর খারাপ প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে জ্বালানি তেলের বাজারে এর বড় ধাক্কা লাগতে পারে। চীন ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে এবং বেইজিং এই সম্পর্ক বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, চীনের এই অবস্থানের কারণে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি সফল হওয়া কঠিন হবে। বেইজিং ও তেহরানের মধ্যকার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হতে পারে। তবে এই উত্তেজনার ফলে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন কোনো দ্বন্দ্ব তৈরি হয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
“আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে চীনের এই অবস্থান মূলত নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা এবং মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বজায় রাখার একটি কৌশল। চীন ও ইরানের মধ্যকার দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি এবং তেলের বাণিজ্য বেইজিংয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমেরিকার এই পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ করে চীন বিশ্বমঞ্চে নিজেদের শক্তিশালী অবস্থান তুলে ধরতে চাইছে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



