Read in English
পাঠক সুবিধা:
সারাদেশগাজীপুর

গাজীপুরে স্বজনহীন বৃদ্ধ আবদুল করিমের একাকী জীবনের গল্প

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
গাজীপুরে স্বজনহীন বৃদ্ধ আবদুল করিমের একাকী জীবনের গল্প
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

গাজীপুরের শ্রীপুরে স্বজনহীন ও নিঃসঙ্গ জীবন কাটাচ্ছেন ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ আবদুল করিম। স্ত্রী-সন্তান হারিয়ে এখন অন্যের দয়ায় ও একা একটি ভাঙা ঘরে দিন পার করছেন তিনি।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • গাজীপুরের শ্রীপুরে ৭৫ বছরের বৃদ্ধ আবদুল করিম দীর্ঘ বছর ধরে সম্পূর্ণ একা বসবাস করছেন।
  • পরিবার ও স্বজন বলতে তার কেউ নেই, প্রতিবেশীদের সাহায্য ও সামান্য বয়স্ক ভাতায় তার দিন চলে।
  • বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগলেও তাকে দেখাশোনা করার মতো কোনো মানুষ নেই।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে ভাঙা একটি ঘরে একা বাস করেন ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ আবদুল করিম। জীবনের শেষ বয়সে এসে তার পাশে দাঁড়ানোর মতো কোনো আপনজন নেই। স্ত্রী মারা গেছেন অনেক বছর আগে, আর একমাত্র ছেলেও সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। এখন চারপাশের কোলাহলের মাঝেও তিনি এক চরম নিঃসঙ্গ ও স্বজনহীন জীবন পার করছেন।

একসময় আবদুল করিমের ছোটখাটো একটি সংসার ছিল। দিনমজুরের কাজ করে তিনি সংসার চালাতেন। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং তিনি কাজ করার ক্ষমতা হারান। একে একে পরিবারের সবাইকে হারিয়ে তিনি পুরোপুরি একা হয়ে পড়েন। বর্তমানে ভাঙা টিনের চালার নিচে রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে কোনোমতে রাত কাটে তার।

স্থানীয় প্রতিবেশীরা জানান, আবদুল করিমের এই কষ্ট তারা প্রতিদিন দেখেন। মাঝে মাঝে তারা খাবার বা প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে সাহায্য করেন। তবে তা নিয়মিত নয়। সরকারিভাবে তিনি সামান্য বয়স্ক ভাতা পান, যা দিয়ে ওষুধ কিনতেই সব টাকা শেষ হয়ে যায়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তাকে একটি স্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দিলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।

আমাদের সমাজে আবদুল করিমের মতো হাজারো প্রবীণ মানুষ জীবনের শেষ সময়ে এসে এমন অবহেলা ও একাকীত্বের শিকার হন। তাদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে স্থায়ী পুনর্বাসন কেন্দ্র এবং চিকিৎসার সুব্যবস্থা করা জরুরি। সমাজের বিত্তবান ও তরুণ সমাজ এগিয়ে এলে এই নিঃসঙ্গ মানুষদের শেষ জীবনটা কিছুটা হলেও শান্তিময় হতে পারে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

আবদুল করিমের এই নিঃসঙ্গ জীবন আমাদের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর দুর্বলতা এবং পারিবারিক বন্ধন ভেঙে যাওয়ার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। প্রবীণদের শেষ বয়সে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়া এবং তাদের জন্য সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম