বাজিতপুর বিএনপিতে নতুন মোড়: মাঠে এহসানুল, সংসদে মজিবুর
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর ও নিকলী আসনে বিএনপির রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। দলের দুই প্রভাবশালী নেতা শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল ও এহসানুল হক একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা স্থানীয় কর্মীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে।
- কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর-নিকলী আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল দূর করতে দুই নেতা এক হয়েছেন।
- শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল ও এহসানুল হকের এই যৌথ পদক্ষেপকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন সাধারণ কর্মীরা।
- আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় দলের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে কাজ করছেন তারা।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলা নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসনে বিএনপির রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ভেদাভেদ ভুলে দলের দুই হেভিওয়েট নেতা শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল ও এহসানুল হক এখন একমঞ্চে হাজির হয়েছেন। সম্প্রতি এলাকায় তাদের একসঙ্গে জনসংযোগ ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখা গেছে, যা স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এই আসনে বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে একাধিক গ্রুপ সক্রিয় ছিল। এক পক্ষে ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতা শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল এবং অন্য পক্ষে ছিলেন তরুণ ও প্রভাবশালী নেতা এহসানুল হক। তাদের এই দূরত্বের কারণে মাঠপর্যায়ের কর্মীরাও বিভক্ত ছিলেন। তবে সম্প্রতি দলের হাইকমান্ডের নির্দেশে এবং নিজেদের শুভবুদ্ধির উদয়ে তারা একসঙ্গে পথ চলার সিদ্ধান্ত নেন।
এই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণকে স্বাগত জানিয়েছেন বাজিতপুর ও নিকলীর সাধারণ মানুষ ও বিএনপির তৃণমূল কর্মীরা। তারা বলছেন, দুই নেতার এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান দলের ভেতরের সব কোন্দল দূর করবে। স্থানীয় নেতারা মনে করছেন, এখন থেকে এলাকায় বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং সাধারণ মানুষের কাছে দলের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে।
political বিশ্লেষকদের মতে, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ঐক্য বিএনপির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মজিবুর রহমান ইকবালের সংসদীয় অভিজ্ঞতা এবং এহসানুল হকের মাঠপর্যায়ের জনপ্রিয়তা একসঙ্গে কাজে লাগালে এই আসনে বিএনপি বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে। এখন দেখার বিষয়, এই ঐক্য আগামী দিনে কতটা স্থায়ী হয় এবং দলের জন্য কী ফল বয়ে আনে।
“বাজিতপুর বিএনপিতে দীর্ঘদিন ধরে চলা কোন্দলের অবসান দলের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর। দুই নেতার এই ঐক্য প্রমাণ করে যে, নির্বাচনের আগে নিজেদের শক্তি বাড়াতে বিএনপি অভ্যন্তরীণ বিরোধ মেটানোর ওপর জোর দিচ্ছে। তবে এই ঐক্য ধরে রাখা এবং তৃণমূলের সব কর্মীকে এক সুতোয় গাঁথাই হবে তাদের আসল চ্যালেঞ্জ।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



