হাসনাতের দুঃখ প্রকাশ, কর্মসূচি প্রত্যাহার করলেন কওমি শিক্ষার্থীরা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহর দুঃখ প্রকাশের পর জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) সভা প্রতিহত করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীরা। ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে উভয় পক্ষ দেশের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার কথা জানিয়েছে।
- হাসনাত আবদুল্লাহর দুঃখ প্রকাশের পর কওমি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রত্যাহার।
- জাতীয় নাগরিক কমিটির সভা নিয়ে তৈরি হওয়া ভুল বোঝাবুঝির অবসান।
- দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দুই পক্ষের একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ দুঃখ প্রকাশ করায় একটি বড় ধরনের বিরোধের অবসান হয়েছে। জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) একটি সভা প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীরা। তবে হাসনাত আবদুল্লাহর দুঃখ প্রকাশের পর তারা এই কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর ফলে ঢাকার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তৈরি হওয়া উত্তেজনা অনেকটাই কমে এসেছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল জাতীয় নাগরিক কমিটির একটি সভাকে কেন্দ্র করে। কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ছিল, তাদের আবেগকে আঘাত করে এমন কিছু বক্তব্য ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয় এবং শিক্ষার্থীরা সভাটি প্রতিহত করার ঘোষণা দেন। পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করার আগেই সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ এগিয়ে আসেন এবং দুঃখ প্রকাশ করে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেন।
কওমি শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, হাসনাত আবদুল্লাহর আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ এবং আলোচনার সদিচ্ছাকে তারা স্বাগত জানিয়েছেন। তারা চান না দেশের এই সংকটময় সময়ে নতুন কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি হোক। অন্যদিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের সব পক্ষের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখা এখন সবচেয়ে জরুরি এবং যেকোনো ভুল বোঝাবুঝি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব।
এই সমঝোতার পর জাতীয় নাগরিক কমিটির পূর্বনির্ধারিত সভাটি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার পথ সুগম হলো। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীদের এই দায়িত্বশীল আচরণ দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বড় ভূমিকা রাখবে। আগামী দিনে যেকোনো জাতীয় ইস্যুতে সব পক্ষ মিলেমিশে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ।
“এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, যেকোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক সংকট আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। হাসনাত আবদুল্লাহর দ্রুত দুঃখ প্রকাশ এবং কওমি শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক সাড়া দেওয়া একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে যেকোনো ধরনের সংঘাত এড়াতে এই ধরনের সমঝোতা অত্যন্ত জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



