নতুন আইন গুমের পথ আরও সহজ করবে বলে আশঙ্কা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

দেশে নতুন যে আইন তৈরি হচ্ছে, তা গুমের ঘটনা বন্ধ করার বদলে উল্টো তা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন রাজনৈতিক নেতারা। তারা বলছেন, ভুক্তভোগীদের হাত দিয়ে এমন আইন তৈরি হওয়া দুঃখজনক।
- নতুন আইনটি গুমের ঘটনা বন্ধ করার বদলে তা আরও সহজ করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
- ভুক্তভোগীদের মাধ্যমে এমন আইন তৈরি হওয়াকে দুঃখজনক বলে মনে করছেন আলোচকেরা।
- আইনটি পাসের আগে সবার মতামত নিয়ে এটি সংশোধন করার দাবি জানানো হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশে নতুন যে আইনটি তৈরি করা হচ্ছে, তা গুমের ঘটনা বন্ধ করার বদলে উল্টো তা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন রাজনৈতিক নেতারা। সম্প্রতি ঢাকায় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এই দাবি করেন। তারা বলেন, যারা একসময় নিজেরা ভুক্তভোগী ছিলেন, তাদের হাত দিয়েই এমন একটি আইন তৈরি হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক ও চিন্তার বিষয়।
বক্তারা জানান, অতীতে গুম ও বিনা বিচারে হত্যার মতো ঘটনাগুলো বন্ধ করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন হয়েছে। বর্তমান সরকার যখন নতুন আইন তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে, তখন সাধারণ মানুষের আশা ছিল এটি গুম বন্ধে কাজ করবে। কিন্তু নতুন আইনের কিছু নিয়ম বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এগুলো অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি করতে পারে, যা গুমের পথকে আরও সহজ করে তুলবে।
এই সভায় মানবাধিকার কর্মী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলেন, যেকোনো আইন তৈরির সময় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকারের বিষয়টি সবার আগে ভাবা উচিত। তারা অভিযোগ করেন, নতুন আইনের খসড়া তৈরির সময় বিশেষজ্ঞদের মতামত সঠিকভাবে নেওয়া হয়নি। ফলে আইনের ফাঁকফোকর গলে অপরাধীরা পার পেয়ে যেতে পারে এবং সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হতে পারে।
বক্তারা সরকারকে এই আইনটি চূড়ান্ত করার আগে আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, আইনটিকে আরও সহজ, স্পষ্ট এবং মানুষের অধিকার রক্ষা করার মতো করে তৈরি করতে হবে যাতে কোনোভাবেই এর অপব্যবহার না হয়। অন্যথায়, এই আইনটি দেশের সাধারণ মানুষের অধিকারের জন্য বড় ধরনের বিপদ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে তারা সতর্ক করে দেন।
“প্রস্তাবিত আইনটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা নাগরিক অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো নতুন আইন প্রণয়নের সময় সব পক্ষের মতামত গ্রহণ করা এবং মানবাধিকার নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে আইনের কোনো অপব্যবহার না ঘটে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



