নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল: প্রাণ হারালেন ৬৯১ জন
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

নেপালে টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৯১ জনে পৌঁছেছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকলেও খারাপ আবহাওয়ার কারণে কাজে বিঘ্ন ঘটছে।
- নেপালে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৬৯১ জনে দাঁড়িয়েছে।
- পাহাড়ি ও নদী তীরবর্তী জেলাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
- সেনাবাহিনী ও পুলিশ উদ্ধারকাজ চালালেও খারাপ আবহাওয়ার কারণে ত্রাণ পৌঁছাতে সমস্যা হচ্ছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
নেপালে টানা ভারী বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৯১ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে এই ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বহু ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে এবং হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, নিখোঁজ ও আহত মানুষের সংখ্যাও অনেক বেশি। উদ্ধারকর্মীরা দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলো থেকে কাদা ও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে লাশ উদ্ধার করছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পাহাড়ি ও নদী তীরবর্তী জেলাগুলোতে, যেখানে রাস্তাঘাট ভেঙে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
নেপাল সরকার উপদ্রুত এলাকাগুলোতে জরুরি উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে। সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা স্থানীয় মানুষের সহায়তায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। তবে খারাপ আবহাওয়া এবং ভাঙা রাস্তার কারণে দুর্গম এলাকায় ত্রাণ ও উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি জরুরি খাবার ও চিকিৎসা সেবা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
“নেপালের এই ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস জলবায়ু পরিবর্তনের তীব্র প্রভাবকে আবারও সামনে এনেছে। পাহাড়ি অঞ্চলে অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও বনায়ন হ্রাসের ফলে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়ছে। দ্রুত আন্তর্জাতিক সাহায্য ও দীর্ঘমেয়াদী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা এখন সময়ের দাবি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



