স্বামীর সঙ্গে দেখে বান্ধবীকে খুন করলেন সাহিদা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

গাজীপুরে স্বামী রাব্বির সঙ্গে নিজের বান্ধবীকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে ফেলায় ক্ষুব্ধ হয়ে বান্ধবীকে হত্যা করেছেন সাহিদা নামের এক গৃহবধূ। এই ঘটনায় পুলিশ ঘাতক স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে।
- গাজীপুরে স্বামীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে বান্ধবীকে খুন করেছেন সাহিদা।
- ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে এবং লাশ উদ্ধার করেছে।
- নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
গাজীপুরে স্বামীর সঙ্গে বান্ধবীকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে ফেলায় ক্ষুব্ধ হয়ে বান্ধবীকে হত্যা করেছেন সাহিদা নামের এক নারী। নিহত বান্ধবীর নাম সুমি আক্তার। এই ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুর মহানগরীর একটি ভাড়া বাসায়। ঘটনার পর পরই স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে অভিযুক্ত সাহিদাকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাহিদা ও রাব্বির বিয়ের পর থেকেই তাদের সংসার ভালোই চলছিল। সাহিদার বান্ধবী সুমি প্রায়ই তাদের বাসায় আসতেন। ঘটনার দিন সাহিদা বাইরে থেকে হঠাৎ বাসায় ফিরে তার স্বামী রাব্বি ও বান্ধবী সুমিকে ঘরের ভেতর আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। এতে তিনি চরম উত্তেজিত হয়ে পড়েন এবং সুমির ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
খবর পেয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা সুমির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ hospital মর্গে পাঠায়। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাহিদা তার বান্ধবীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তবে এই ঘটনায় স্বামী রাব্বির কোনো ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে স্বামী রাব্বি পলাতক রয়েছেন এবং তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষ হলে এই ঘটনার পেছনের পুরো সত্য জানা যাবে।
“পারিবারিক কলহ এবং পরকীয়া সম্পর্কের জেরে সমাজে অপরাধের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে তাৎক্ষণিক ক্ষোভ ও নিয়ন্ত্রণহীন আবেগ কীভাবে একটি বড় অপরাধের জন্ম দিতে পারে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



