সিনেমার মতো ধেয়ে এলো বন্যা, নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

নেপালে টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস দেখা দিয়েছে। এতে দুই শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বহু এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
- নেপালে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
- পাহাড়ি ঢল ও কাদার স্রোতে বহু ঘরবাড়ি এবং গাড়ি সিনেমার দৃশ্যের মতো ভেসে গেছে।
- রাজধানী কাঠমান্ডুর সাথে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
নেপালে টানা কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস দেখা দিয়েছে। পাহাড়ি ঢল ও কাদার স্রোত এতটাই দ্রুত ও শক্তিশালী ছিল যে, চোখের পলকে ঘরবাড়ি ও গাড়ি ভেসে গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বন্যার এই তাণ্ডব দেখতে ঠিক সিনেমার কোনো দুর্যোগের দৃশ্যের মতো লাগছিল। বিশেষ করে রাজধানী কাঠমান্ডু ও এর আশেপাশের এলাকাগুলো পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত কয়েক দশকের মধ্যে এবারই সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে নেপালে। আকস্মিক এই বন্যায় এখন পর্যন্ত দুই শতাধিক মানুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এখনো অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন। মহাসড়কগুলোতে পাহাড় ধসে পড়ার কারণে হাজার হাজার যাত্রী রাস্তায় আটকে পড়েছেন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।
দুর্যোগ কবলিত এলাকায় উদ্ধারকাজে নেমেছেন নেপালের সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা। হেলিকপ্টার ও রাবারের নৌকা দিয়ে আটকে পড়া মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে অনেক জায়গায় রাস্তাঘাট ও সেতু ভেঙে যাওয়ায় উদ্ধারকারী দল সময়মতো পৌঁছাতে পারছে না। স্থানীয় মানুষজনও নিজেদের উদ্যোগে একে অপরকে সাহায্য করার চেষ্টা করছেন।
পরিবেশবিদরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই হিমালয় অঞ্চলের দেশগুলোতে এমন অস্বাভাবিক ও তীব্র বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এই দুর্যোগের পর নেপাল সরকারকে এখন বড় ধরনের পুনর্গঠন কাজের মুখোমুখি হতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন করা এবং ভেঙে পড়া রাস্তাঘাট দ্রুত মেরামত করাই এখন দেশটির প্রধান চ্যালেঞ্জ।
“নেপালের এই ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস আমাদের জলবায়ু পরিবর্তনের চরম বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। হিমালয় অঞ্চলের দেশগুলোতে অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং পরিবেশের ক্ষতি এই দুর্যোগের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় এড়াতে পাহাড়ি এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণে আরও সতর্ক হওয়া এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানো জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



