যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে শুল্ক বসাচ্ছে কানাডা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

আমেরিকার ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যের ওপর নতুন করে কর বা শুল্ক বসানোর ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্যিক দ্বন্দ্বের জের ধরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা দুই দেশের অর্থনীতিতেই বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
- আমেরিকার ২০ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের আমদানি পণ্যে কর বসাচ্ছে কানাডা।
- দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য বিরোধের জেরে এই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
- এই সিদ্ধান্তের ফলে দুই দেশের সাধারণ ক্রেতাদের ওপর খরচের চাপ বাড়তে পারে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
আমেরিকার তৈরি বিভিন্ন পণ্যের ওপর বিশাল অঙ্কের বাড়তি কর বা শুল্ক বসানোর ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। দেশটির সরকার জানিয়েছে, প্রায় ২০ বিলিয়ন (২ হাজার কোটি) ডলার সমমূল্যের মার্কিন পণ্যের ওপর এই নতুন কর কার্যকর করা হবে। দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বাণিজ্য নিয়ে তৈরি হওয়া বিরোধের জেরে কানাডা এই পাল্টা পদক্ষেপ নিল।
এর আগে আমেরিকা কানাডার কিছু পণ্যের ওপর বাড়তি কর বসিয়েছিল। তারই জবাবে কানাডা এই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। এই তালিকায় আমেরিকার তৈরি ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম এবং বিভিন্ন ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে দুই দেশের মধ্যকার ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও কঠিন হয়ে পড়বে।
কানাডার এই ঘোষণার পর আমেরিকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেক ব্যবসায়ী মনে করছেন, এর ফলে পণ্যের দাম অনেক বেড়ে যাবে এবং সাধারণ ক্রেতাদের পকেট থেকে বাড়তি টাকা খরচ করতে হবে। তবে কানাডা সরকারের দাবি, নিজেদের দেশের ব্যবসা ও শিল্পকে বাঁচাতেই তারা এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।
বাণিজ্য বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই কর যুদ্ধ সহজে থামবে না। দুই দেশ যদি আলোচনার মাধ্যমে কোনো সমঝোতায় না পৌঁছায়, তবে বিশ্ব বাজারেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের সরকার আলোচনা করে কোনো সমাধান বের করতে পারে কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
“আমেরিকা ও কানাডার মধ্যকার এই বাণিজ্য যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি বড় সংকেত। মুক্ত বাণিজ্যের যুগে এমন পাল্টা কর আরোপের ফলে শেষ পর্যন্ত সাধারণ ক্রেতারাই ক্ষতিগ্রস্ত হন। দুই দেশের উচিত আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা, যাতে অর্থনৈতিক ক্ষতি এড়ানো যায়।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



