ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) নিয়ে কী বলেন ইসলামি আইনবিদেরা?
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জন্ম ও আগমন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করা এবং ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন করা নিয়ে ইসলামের বিখ্যাত ইমাম ও ফকিহদের মতামত আলোচনা করা হয়েছে। তাঁরা একে একটি উত্তম কাজ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
- ইসলামের বড় বড় ইমাম ও ফকিহরা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালনকে ভালো কাজ হিসেবে দেখেছেন।
- নবীজি (সা.)-এর জন্মের খুশিতে দান-সদকা করা ও দরুদ পাঠ করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ।
- আলেমদের মতে, এই দিনে নবীজির জীবনী আলোচনা করা ও তাঁর আদর্শ মেনে চলার শিক্ষা দেওয়া উচিত।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
সারা বিশ্বে মুসলমানদের কাছে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) একটি অত্যন্ত পবিত্র ও আনন্দের দিন। ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও আগমনকে স্মরণ করে এই দিনটি পালন করা হয়। তবে এই দিনটি পালন করার নিয়ম ও এর বৈধতা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। ইসলামের বড় বড় আইনবিদ বা ফুক্বাহায়ে কেরাম এই বিষয়ে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিয়েছেন।
ইসলামের ইতিহাসে বিখ্যাত ইমাম ও ফকিহরা মিলাদুন্নবী পালনকে একটি ভালো কাজ বা 'বিদআতে হাসনাহ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁদের মতে, নবীজির জন্মের খুশিতে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা, গরিবদের খাওয়ানো এবং দরুদ শরিফ পড়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। ইমাম ইবনে হাজার আসকালানি ও ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ুতির মতো বড় বড় আলেমরা এই কাজের পক্ষে কোরআন ও হাদিস থেকে নানা প্রমাণ তুলে ধরেছেন।
আলেমদের মতে, মিলাদুন্নবী পালনের মূল উদ্দেশ্য হতে হবে নবীজির আদর্শকে নিজের জীবনে ধারণ করা। এই দিনে কোনো ধরনের ইসলামবিরোধী বা অনৈতিক কাজ করা যাবে না। কেবল আনন্দ উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, নবীজির জীবনী আলোচনা করা এবং তাঁর দেখানো পথে চলার শপথ নেওয়াই এই দিনের আসল শিক্ষা।
বর্তমান সময়েও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানেরা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এই দিনটি পালন করেন। ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, মিলাদুন্নবীকে কেন্দ্র করে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া উচিত। নবীজির ভালোবাসায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করাই হোক এই দিনের মূল লক্ষ্য।
“ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন নিয়ে সমাজে নানা মত থাকলেও ইসলামের মূল চেতনা হলো নবীজির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করা। ফকিহদের মতামত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তাঁরা উৎসবের চেয়ে নবীজির আদর্শ অনুসরণ ও জনকল্যাণমূলক কাজের ওপর বেশি জোর দিয়েছেন।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



