Read in English
পাঠক সুবিধা:
অপরাধ ও আইনঢাকা

১৯ বছর পর ধরা পড়লেন পিচ্চি হান্নানের সহযোগী ‘কিলার মাসুদ’

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
১৯ বছর পর ধরা পড়লেন পিচ্চি হান্নানের সহযোগী ‘কিলার মাসুদ’
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

ঢাকার আলোচিত সন্ত্রাসী পিচ্চি হান্নানের অন্যতম সহযোগী ‘কিলার মাসুদ’কে দীর্ঘ ১৯ বছর পর গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আইনের আওতায় আনা হয়।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • র্যাবের অভিযানে ১৯ বছর ধরে পলাতক থাকা কিলার মাসুদ গ্রেপ্তার হয়েছেন।
  • তিনি ঢাকার এক সময়ের কুখ্যাত সন্ত্রাসী পিচ্চি হান্নানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।
  • মাসুদের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

ঢাকার এক সময়ের ত্রাস ও কুখ্যাত সন্ত্রাসী পিচ্চি হান্নানের অন্যতম সহযোগী ‘কিলার মাসুদ’কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে তিনি ছদ্মনাম ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে ছিলেন। অবশেষে র্যাবের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানায়, ২০০৪ সালে পিচ্চি হান্নান মারা যাওয়ার পর থেকেই মাসুদ আত্মগোপনে চলে যান। তার বিরুদ্ধে ঢাকার বিভিন্ন থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র আইনের একাধিক মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনী তাকে খুঁজছিল, কিন্তু বারবার তিনি নিজের পরিচয় ও অবস্থান পরিবর্তন করে পার পেয়ে যাচ্ছিলেন।

র্যাবের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে মাসুদ পরিচয় লুকিয়ে একটি এলাকায় বসবাস করছেন। এরপর সেখানে নজরদারি বাড়িয়ে তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ নিজের আসল পরিচয় স্বীকার করেছেন এবং তার অপরাধের নানা তথ্য দিয়েছেন।

গ্রেপ্তারকৃত কিলার মাসুদকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে থাকা পুরোনো মামলাগুলোর তদন্ত আবার শুরু করা হবে এবং তাকে আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। এই গ্রেপ্তারের ফলে ঢাকার অপরাধ জগতের পুরোনো অনেক রহস্য উন্মোচিত হবে বলে আশা করছে পুলিশ।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

কিলার মাসুদের গ্রেপ্তার প্রমাণ করে যে অপরাধ করে দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত পার পাওয়া যায় না। তবে ১৯ বছর ধরে একজন চিহ্নিত অপরাধী কীভাবে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘুরে বেড়াল, তা আমাদের নিরাপত্তা ও নজরদারি ব্যবস্থার দুর্বলতাকে সামনে আনে। পুরোনো অপরাধীদের ধরতে প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ানো দরকার।

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম