কুমিল্লায় হাসপাতালে ভুল মায়ের কোলে গেল নবজাতক, তোলপাড়
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে নার্সদের অবহেলায় এক নবজাতককে অন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ঘটনা ঘটেছে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে শিশুটিকে তার আসল মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
- কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে এক নবজাতক অন্য পরিবারের কাছে চলে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
- হাসপাতালের নার্সদের অসাবধানতার কারণে এই বড় ভুলটি হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
- ভুল বুঝতে পেরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে আসল মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেয়।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে নার্সদের চরম অবহেলায় এক নবজাতক শিশুকে অন্য পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, সন্তান প্রসবের পর নার্সরা তাদের না জানিয়েই অন্য এক দম্পতির কোলে শিশুটিকে তুলে দেন। পরে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি করে শিশুটিকে উদ্ধার করে আসল মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকালে প্রসূতি ওয়ার্ডে দুই নারীর সন্তান প্রসব হয়। এর মধ্যে এক পরিবারের নবজাতককে অন্য পরিবারের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন কর্তব্যরত নার্সরা। অন্য পরিবারটি শিশুটিকে নিয়ে বাড়ি চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় আসল পরিবার তাদের সন্তানকে খুঁজে না পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করে। এতে হাসপাতালের অন্য রোগী ও স্বজনদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দ্রুত তৎপরতা শুরু করে। তারা ভুল করে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে তাদের হাসপাতালে ফেরত আসতে বলে। প্রায় দুই ঘণ্টা পর ওই পরিবারটি শিশুটিকে নিয়ে হাসপাতালে ফিরে আসে। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে শিশুটিকে তার আসল মা-বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়। এই ঘটনায় দায়িত্বে থাকা নার্সদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারটি তাদের সন্তানকে ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করলেও হাসপাতালের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে যাতে এমন স্পর্শকাতর ভুল আর না ঘটে, সে জন্য প্রসূতি ওয়ার্ডের নিরাপত্তা ও তদারকি আরও জোরদার করা হবে।
“সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীদের নিরাপত্তা ও সেবার মান নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন ওঠে। নবজাতক অদলবদল বা ভুল পরিবারের কাছে হস্তান্তরের মতো ঘটনা অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং এটি পরিবারের জন্য চরম মানসিক যন্ত্রণার কারণ হতে পারে। এই ধরনের অবহেলা এড়াতে হাসপাতালগুলোতে ডিজিটাল ট্র্যাকিং বা কঠোর পরিচয় যাচাইকরণ ব্যবস্থা চালু করা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



