অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে হেরোইন ও এলএসডি তৈরির বিপজ্জনক কাঁচামাল
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ইন্টারনেটের বিভিন্ন গোপন সাইট ও ফেসবুক গ্রুপ ব্যবহার করে দেশে হেরোইন এবং এলএসডির মতো মারাত্মক মাদকের কাঁচামাল বিক্রি করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই চক্রের সদস্যদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে।
- ফেসবুক ও বিভিন্ন গোপন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মাদকের কাঁচামাল কেনাবেচা হচ্ছে।
- তরুণদের টার্গেট করে এই চক্রটি অনলাইনে তাদের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।
- পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ এই চক্রের সদস্যদের ধরতে বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশে ইন্টারনেটের মাধ্যমে হেরোইন ও এলএসডির মতো মারাত্মক মাদকের কাঁচামাল বিক্রি করার খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গোপন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে একটি চক্র এই অবৈধ ব্যবসা চালাচ্ছে। সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে অনলাইনে অর্ডার নিয়ে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে এই বিপজ্জনক উপাদানগুলো ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাসে ঢাকা ও তার আশেপাশের এলাকায় বেশ কিছু মাদকের চালান ধরা পড়ে। এরপরই তদন্তে বেরিয়ে আসে যে, এসব মাদকের মূল উপাদান বা কাঁচামাল বিদেশ থেকে বিভিন্ন নামে দেশে আনা হচ্ছে। চক্রটি মূলত তরুণদের টার্গেট করে অনলাইনে গ্রুপ খুলে এই ব্যবসা পরিচালনা করছে, যেখানে লেনদেন হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে।
এই বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনলাইন মাদক চক্রের সদস্যদের ধরতে তারা কাজ শুরু করেছেন। পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের সাইবার ইউনিটগুলো ইন্টারনেটে সন্দেহজনক পেজ ও গ্রুপগুলোর ওপর কড়া নজর রাখছে। একই সাথে কুরিয়ার সার্ভিসগুলোতে পার্সেল পাঠানোর ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপের কথা ভাবছে প্রশাসন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইনে মাদকের কাঁচামাল বিক্রি বন্ধ করতে হলে সাইবার নজরদারি আরও বাড়াতে হবে। সেই সাথে অভিভাবকদেরও তাদের সন্তানদের ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর নজর রাখা প্রয়োজন। এই চক্রের মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় না আনলে তরুণ সমাজ বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
“অনলাইনে মাদকের কাঁচামাল বিক্রি হওয়া দেশের তরুণ সমাজের জন্য এক বড় হুমকি। প্রযুক্তির অপব্যবহার করে অপরাধীরা যেভাবে মাদক ছড়াচ্ছে, তা বন্ধ করতে সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি। শুধু পুলিশি অভিযান নয়, বরং কুরিয়ার সার্ভিস ও অনলাইন লেনদেনের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা এখন সময়ের দাবি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



