নুসরাত ফতেহ আলী খানের কবরে কাওয়ালি গাওয়ায় সমালোচনার জবাব দিলেন রাহাত
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

নুসরাত ফতেহ আলী খানের কবরে কাওয়ালি গাওয়ার সমালোচনা করায় কড়া জবাব দিয়েছেন রাহাত ফতেহ আলী খান। তিনি জানান, এটি বিনোদন নয় বরং এক ধরনের শ্রদ্ধা ও প্রার্থনা।
- নুসরাত ফতেহ আলী খানের কবরে কাওয়ালি গাওয়ার ভিডিও নিয়ে ইন্টারনেটে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
- সমালোচকদের জবাব দিয়ে রাহাত ফতেহ আলী খান একে শ্রদ্ধা জানানোর সুফি ঐতিহ্য বলে দাবি করেছেন।
- সুফি মতে কাওয়ালি কোনো সাধারণ গান নয়, এটি এক ধরনের প্রার্থনা।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
উপদেশের বিখ্যাত কাওয়ালি ও সুফি সংগীতশিল্পী নুসরাত ফতেহ আলী খানের কবরে গান গাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেকেই কবরের পাশে গান-বাজনা করাকে ভালো চোখে দেখছেন না। এই সমালোচনার মুখে চুপ থাকেননি তার যোগ্য উত্তরসূরি ও ভাতিজা রাহাত ফতেহ আলী খান। তিনি সমালোচকদের কড়া জবাব দিয়ে এর পেছনের আসল কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।
সম্প্রতি নুসরাত ফতেহ আলী খানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পাকিস্তানের ফয়সালাবাদে তার কবরে শ্রদ্ধা জানাতে যান ভক্ত ও পরিবারের সদস্যরা। সেখানে শ্রদ্ধা জানানোর অংশ হিসেবে কাওয়ালি পরিবেশন করা হয়। এই ঘটনার ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের দাবি, কবরের পবিত্রতা রক্ষা করা উচিত এবং সেখানে গান-বাজনা করা ঠিক নয়।
সমালোচনার জবাবে রাহাত ফতেহ আলী খান বলেন, এটি কোনো সাধারণ গান-বাজনা বা বিনোদন ছিল না। সুফি ঐতিহ্যে কাওয়ালি হলো এক ধরনের প্রার্থনা ও স্রষ্টার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের মাধ্যম। তিনি আরও বলেন, নুসরাত ফতেহ আলী খান সারা জীবন কাওয়ালির মাধ্যমে মানুষের মন জয় করেছেন এবং স্রষ্টার গুণগান গেয়েছেন। তাই তার কবরে কাওয়ালি গেয়ে শ্রদ্ধা জানানো কোনো অপরাধ বা অসম্মান নয়।
এই ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখনো নানা বিতর্ক চলছে। একদল মানুষ ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এর বিরোধিতা করছেন, আবার সুফি ভক্তরা একে একটি সুন্দর ঐতিহ্য হিসেবে সমর্থন করছেন। তবে রাহাত ফতেহ আলী খানের এই স্পষ্ট বক্তব্যের পর বিতর্ক কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
“এই ঘটনাটি ধর্মীয় অনুশাসন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মধ্যকার দ্বন্দ্বকে সামনে এনেছে। একদিকে সাধারণ মানুষ কবরের পবিত্রতা নিয়ে চিন্তিত, অন্যদিকে সুফি ধারার অনুসারীরা কাওয়ালিকে আধ্যাত্মিক সাধনার অংশ মনে করেন। রাহাত ফতেহ আলী খানের বক্তব্য এই দুই চিন্তাধারার পার্থক্যকে স্পষ্ট করেছে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



