Read in English
পাঠক সুবিধা:
সারাদেশচট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে বকেয়া বেতনের দাবিতে পুলিশ ও পোশাক শ্রমিকদের সংঘর্ষ

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
চট্টগ্রামে বকেয়া বেতনের দাবিতে পুলিশ ও পোশাক শ্রমিকদের সংঘর্ষ
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকায় বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। এ সময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন শ্রমিক ও পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকায় বকেয়া বেতনের দাবিতে রাস্তায় নামেন একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা।
  • রাস্তা খালি করতে পুলিশ বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।
  • সংঘর্ষের কারণে ওই এলাকার সড়কে দীর্ঘ সময় ধরে যানজট তৈরি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকায় বকেয়া বেতনের দাবিতে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আজ সকালে শ্রমিকেরা রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করলে এই পরিস্থিতির তৈরি হয়। পুলিশ এসে তাদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা গত কয়েক মাস ধরে বেতন পাচ্ছিলেন না। বারবার মালিকপক্ষের কাছে গিয়েও কোনো সমাধান না পেয়ে তারা আজ সকালে রাস্তায় নামতে বাধ্য হন। সকাল ৯টার দিকে তারা ইপিজেড মোড়ে অবস্থান নেন। এতে ওই এলাকার প্রধান সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের বুঝিয়ে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু উত্তেজিত শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। জবাবে পুলিশও লাঠিচার্জ করে এবং কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এই ঘটনায় পুলিশ ও শ্রমিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষের পর ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পুলিশ ও কারখানা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন দ্রুত পরিশোধ করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ রাস্তায় কাজ করছে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

শ্রমিকদের বকেয়া বেতন না দেওয়া এবং তা নিয়ে রাস্তায় নেমে সংঘর্ষের ঘটনা আমাদের শিল্প খাতের একটি বড় সমস্যা। মালিকপক্ষের উচিত সময়মতো বেতন পরিশোধ করা, যাতে শ্রমিকদের রাস্তায় নামতে না হয়। অন্যদিকে, যেকোনো দাবি আদায়ের জন্য সহিংস পথ পরিহার করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজা জরুরি।

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম